যেখানে পূর্ব মিলেছে পশ্চিমে

প্রাচীন সময়ে পশ্চিমা ও প্রাচ্যের ব্যবসায়ীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথই ছিলো ডানহং সিল্ক রোড। মূলত এই পথ ধরেই ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন মালপত্র আনানেয়া করতেন। বর্তমানে পুনরায় এই রাস্তা চালু করার জন্য কোটি কোটি টাকা খরজ করছে চীন।

সেই রাস্তারই অসাধারণ কিছু ছবি তুললেন চীনা ফটোগ্রাফার লি জেংড়ে।  মুন ক্রিসেন্ট নামের এই জায়গাটি প্রায় ২ হাজার বছরের পুরোনো। কিন্তু এই স্থানটি অনেক দুর্গম হওয়াতে সবাই এখানে যেতে চায় না।

তবে কারো কারো মতে, মরুদ্যানে একটু চাঁদের আলো যেন এক টুকরো স্বর্গ। এই বিশাল মরুদ্যানকে বলা হয় মিংসা যার অর্খ ‘চকচকে বালি’। আর এই বালির শব্দেই নাকি সিল্ক রোডের ব্যবসায়ীরা ভয় পেতো। এই শব্দের উপর ভি্ত্তি করেই গড়ে উঠেছে অনেক ভৌতিক গল্প। আদতে এটি ছিলো বাতাসের শব্দ।

এশিয়ার সবচেয়ে বড় মরুভূমি গোবিকে অনেক সময় সীমাহীন সাগরের সাথে তুলনা করা হয়। ডুনডাং সেখানে যেন এক সবুজ দ্বীপ। মরুভূমির বিষন্নতার মাঝে এ যেন অন্যরকম প্রাণ। ইতিহাস মতে, বৌদ্ধ ভিক্ষু লি জুন একবার স্বপ্ন দেখেছিলেন যে মিংসা পাহাড়ের উপর দিয়ে হাজারো বুদ্ধ উড়ে চলছেন। এ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ক্লিফ নদীতে বুদ্ধের একটি মূর্তি স্থাপন করেন।

এরপর ফা লিয়াং নামে আরেক ভিক্ষু আরেকটি মূর্তি স্থাপন করেন।  প্রায় ১ হাজার বছর ধরে দেভো শিল্পীরা ৭০০ এরও বেশি গুহা মন্দির তৈরি করেছেন যার আয়তন প্রায় ৪৫ হাজার বর্গমিটার।

বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য শুধু বুদ্ধের মূর্তি বা চিত্রই ধর্মপ্রচারে যথেষ্ট ছিলো। তবে এছাড়াও মন্দিরের সৌন্দর্য বর্ধনে আরো কাজ করেছে কর্তৃপক্ষ। মূর্তিগুলোতে রং করা হয়েছে। দেয়ালে দেয়া হয়েছে তিনস্তরের প্লাস্টার।

Secret Diary Secret Diary

Top