হস্তমৈথুনের পর হাত না ধুয়ে পরিবেশন করেছি

আমরা সবাই কম বেশি রেস্তোরায় খেতে ভালোবাসি। তবে বেশ কিছু রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে গেলে খাওয়ার ইচ্ছেটা আপনা থেকেই চলে যেতে পারে। তা আপনি যে শহরেই থাকুন না কেন। পাঁচ তারা হোক বা পাড়ার কাছেরই কোনও দোকান, যখন খাবার পরিবেশন করার কথা আসে তখন যে কলেই সমান হতে পারে তা সম্প্রতি বোঝা গেল। ‘উইসপার’ নামে একটি অ্যাপে নামী-দামি রেস্তোরাঁয় কাজ করা আলাদা আলাদা ১০ জন কর্মচারির স্বীকারোক্তিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে। এগুলো দেখার পর রেস্তোরাঁয় খাওয়ার ইচ্ছেটা নিমেষে মিলিয়ে যেতে পারে। দেখে নিন রেস্তোরাঁর ‘ইনসাইড স্টোরি’তে কী কী উঠে এল:

১) ‘মাঝে মাঝে হস্তমৈথুনের পরই যখন কাজে ফিরতে হয়, তখন হাত না ধুয়েই খাবার পরিবেশন করে দিই।’

২) ‘একবার খুব তেষ্টা পেয়েছিল, কাস্টমারের ড্রিংক থেকেই এক চুমুক মেরে দিয়েছিলাম।’

 

৩) ‘যখন কাজের জায়গায় আমায় টয়লেট পরিষ্কার করতে বলা হয়, তখন ওই একই কাপড় দিয়ে খাবার টেবলও সাফ করি। আমি একজন সার্ভায়, টয়লেট পরিষ্কার করার জন্য আসিনি।’

 

৪) ‘যে হাত দিয়ে এঁটো প্লেট তুলে নিয়ে যাই, পার্স ধরি, বা অন্যান্য কাজ করি, সেই একই হাত দিয়ে কাস্টমারদের খাবারও ধরতে হয়।’

৫) ‘একবার কাস্টমারের জন্য স্যালাড নিয়ে যাওয়ার সময় একখানা লম্বা চুল দেখেও চুপ করে ছিলাম। খানিক বাদে দেখলাম প্লেট একদম সাফ। চেটেপুটে খেয়ে ফেলেছে।’

৬) ‘আমি যে রেস্তোরাঁয় কাজ করি সেখানে একাধিকবার ছত্রাক ধরা খাবার পরিবেশন করা হয়েছে। নিজেও দেখেছি। কিন্তু চাকরি যাওয়ার ভয়ে মুখ খুলতে পারি না।’

৭) ‘আমাদের রেস্তোরাঁয় রুপোর বাসনে খাবার পরিবেশন করা হয়। খাবার পর সেগুলো সাবান দিয়ে ধোয়া হয় না। যত ক্ষণ প্লেট থেকে এঁটো খাবার না যায় তত ক্ষণ জাস্ট জল ঢেলে দিই। ব্যাস।’

৮) ‘কাস্টমারের জন্য একবার ব্রেড রোল নিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাত্‍ সেটা হাত থেকে মেঝেতে পড়ে যায়। সেটাই তুলে সার্ভ করে দিয়েছিলাম।’

৯) ‘জুস সার্ভ করার সময় অনেক দিনের পুরনো ফ্রিজে রাখা একটি বোতল থেকে জুস ঢেলেছিলাম। নিজেরই সন্দেহ ছিল যে সেটা ভালো রয়েছি কিনা। তাই এক চুমুক দিয়ে টেস্ট করেছিলাম। কাস্টমার সেটা পুরোটাই খেয়েছিলেন। পরে বোতলের গায়েতারিখ দেখে বুঝেছিলাম সেটার এক্সপায়ারি ডেট পেরিয়ে গিয়েছে।’

১০) ‘যদি কাস্টমার আমার সঙ্গে ঠিক করে কথা না বলে, তবে তাঁদের খাবার ইচ্ছে করে দেরি করে সার্ভ করি।’

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top