ফ্রিজে আটকা পড়ে তরুণীর কেটে গেল সারারাত

তাপমাত্রা শূন্য থেকে ২-১ ডিগ্রি বেশি। পরনে শুধুমাত্র লেগিংস ও টিশার্ট। এই ভাবেই কেটে গেল সারারাত। সেই এক রাতের আতঙ্ক সামলাতে কেটে গেল প্রায় এক বছর।

গত বছর ডিসেম্বরে ইংল্যান্ডের গ্লুকোসেস্টার শহরে একটি সাবওয়ে স্টোরের ফ্রিজে আটকা পড়েন সেখানকারই এক নারী কর্মী। স্টোরের বড় ফ্রিজের ভেতরে ঢুকে জিনিস রাখছিলেন তিনি। তখনই বাইরে থেকে কেউ ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দেয়। ব্যস, ভেতরে আটকা পড়ে যান বছর ২০-এর কার্লি ডবিনি। দরজা খোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকেন কার্লি। চেঁচিয়ে, দরজায় ধাক্কা সহকর্মীদের ডাকার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু কেউই টের পান না যে ভেতরে হিমশীতল তাপমাত্রায় আটকে গিয়েছেন কার্লি। কার্ডবোর্ডের টুকরোর ওপর কেচাপ দিয়ে ‘help me’ও লেখেন ওই সাবওয়ে কর্মী। ভেবেছিলেন সিসিটিভি-তে দেখতে পাওয়া যাবে তাঁকে। কিন্তু সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়। কেটে যায় আট ঘণ্টা।

পরের দিন সকাল ৭-৩০ নাগাদ তাঁর এক সহকর্মী ফ্রিজের দরজা খুলে ভেতরে কার্লিকে দেখতে পান। বেশ কিছুদিন হাসপাতালে কাটিয়ে শারীরিক ভাবে সুস্থ হলেও মানসিক ধাক্কা কাটাতে লেগে যায় প্রায় এক বছর। প্রচণ্ড আতঙ্কে ঘর থেকে বেরোতে পারতেন না তিনি। ভালো করে হাঁটতেও পারতেন না কার্লি। পরে টুইটে এই ঘটনার কথা জানিয়ে কার্লি বলেন যে ফ্রিজ থেকে শেষমেশ বেরনোর পর তিনি ভালো আছেন কিনা, এই কথা জিজ্ঞেস করার বদলে তিনি সেই রাতে কাজ করতে পারবেন কিনা, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। সাবওয়ের ওই ফ্র্যাঞ্চাইজির বিরুদ্ধে স্টোরে নিরাপত্তার অভাব থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top