জাতিসংঘের ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জাতিসংঘের ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জলবায়ু পরিবর্তন রুখতে তার নেয়া বলিষ্ঠ পদক্ষেপই তাকে এ পুরষ্কারের অন্যতম দাবিদার করেছে।

চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ সম্মান। পরিবেশ বিষয়ে ইতিবাচক ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তিকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

পুরস্কারটির আয়োজন করে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রমেন্টাল পোগ্রাম (ইউএনইপি)। পরিবেশের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ এমন সব মানুষ যাদের উদ্যোগের ফলে পারিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে, তাদেরকেই এ পুরষ্কারের জন্য মনোনয়ন দেয়া হয়।

জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ইউএনইপি’র ওয়েবসাইটে শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে এ খবর দিয়ে পরিবেশ বিষয়ে তার অবদানের উল্লেখ করা হয়েছে।

সেখানে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুটি খুব ভালোভাবে সামাল দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় দফায় ২০০৯ সালে তার সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসার পরও জলবায়ু পরিবর্তন রুখতে তাঁর চেষ্টা অব্যাহত আছে।

বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিপজ্জনক অবস্থায় থাকা দেশগুলোর মধ্যেও বাংলাদেশ অন্যতম। ঘূর্ণিঝড়, সাইক্লোন, বন্যা, খরা এসব বাংলাদেশে নিয়মিত ঘটনা। শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরের লক্ষ্যমাত্রায় কাজ করে যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করা হয় জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক ওয়েব সাইটে।

উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশই প্রথম জলবায়ু পরিবর্তন রুখতে ‘দ্য বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্রেটেজি এন্ড অ্যাকশন প্ল্যান অব ২০০৯’ একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরী করেছে। শুধু তাই নয়। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবলিয়ায় প্রথম কোন দেশ হিসেবে বাংলাদেশই নিজস্ব অর্থায়নে একটি ট্রাষ্ট ফান্ড গঠন করেছে। ২০০৯-২০১২ সাল পর্যন্ত এ ফান্ডে নিজস্ব উৎস থেকে ৩০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার সংগ্রহ করা হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবলিায় শেখ হাসিনার সরকার মোট বাজেটের ৬-৭ শতাংশ বরাদ্দ রেখেছে।

এছাড়া প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় আরো পদক্ষেপ হিসেবে ২০১১ সালে সংবিধান সংশোধন করা হয়।

 

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top