চুলে রঙ করলে হতে পারে ব্লাড ক্যান্সার

আধুনিক যুগে চুলের ফ্যাশনেবল বাড়াতে প্রায় সবাই চুলে রঙ করছে। দিন দিন ঝকমকে কালো চুলের কদর যেন কমে যাচ্ছে। শুধু একবার রঙ করেই শান্ত থাকছে না। প্রতি মাসে মাসে বা বছরে মনের মত করে চুলে রঙ করে নিচ্ছে। আবার দেখা যাচ্ছে পোশাকের সাথে ম্যাচ করেও তাৎক্ষণিক চুলে রঙ করছে। কিন্তু এতে ফ্যাশনের সঙ্গে সঙ্গে জীবনে অনেক বড় বিপদ ডেকে আনছে।

গবেষকরা গবেষণা করে বলছেন, এখন হেয়ার ডাইয়ে এমন কিছু কেমিকেল মেশানো হচ্ছে যাতে হতে পারে ক্যান্সারের মত ভয়ংকর রোগ। প্যারাবেন, অ্যামোনিয়ার মতো রাসায়নিক মেশানো থাকে হেয়ার ডাইয়ে।

তাদের মতে, যে হেয়ার কালার বা ডাই একটু বেশিদিন স্থায়ী হয় সেগুলিতে একটু বেশি মাত্রায় রাসায়নিক মেশানো থাকে। এই রং সাধারণ ৫ থেকে ১০ বার শ্যাম্পু করলে উঠে যায়। বলতে গেলে মাস খানেক স্থায়ী থাকে। আর স্থায়ী বা পারমানেন্ট হেয়ার ডাইয়ের বিপদ সব থেকে বেশি। কারণ এতে সব থেকে বেশি রাসায়নিক মেশানো থাকে। এগুলি বেশি ব্যবহার করলে এলার্জি, গলায় সংক্রমণ, ফুসফুসে সংক্রমণ, চুল ওঠা, ড্রাই হয়ে যাওয়া, চুলকানি, চোখে সংক্রমণের মতো একাধিক রোগ দেখা দিতে পারে। এতে স্কিন ক্যান্সার বা ফুসফুসে ক্যান্সারের প্রবণতা দেখা দেয়।

সে কারণে গবেষকরা বলছেন, হেয়ার ডাই ব্যবহার করার সময় কিছু সাবধানতা মেনে চলুন। খুব বেশি হেয়ার কালার বা ডাই ব্যবহার করবেন না। আর চুলে রং করার সময় সবসময় গ্লাভস বা দস্তানা পরে নেওয়া উচিত।

তবে গবেষকরা বলছেন, অস্থায়ী হেয়ার কালার বা ডাই অপেক্ষাকৃত নিরাপদ। অস্থায়ী এবং সেমি টেম্পোরারি হেয়ার কালার ব্যবহার করুন। যে রং দুই থেকে তিনবার শ্যাম্পু করার পরেই চলে যায় সেগুলোই ব্যবহার করুন। চেষ্টা করুন প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি হেয়ার ডাই বা হেয়ার কালার ব্যবহার করতে।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top