চাকরির অনিশ্চয়তা বোঝার উপায়

চাকরিটা থাকবে? নাকি থাকবে না? আন্দাজ করার জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি পন্থা।
চাকরি চলে যাওয়ার ঝুঁকি আগেভাগেই টের পাওয়া সম্ভব। আর এই অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার কারণও রয়েছে।

জীবনযাপন-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হল বিস্তারিত।

বেতন বেশি, ঝুঁকিও বেশি: প্রতিষ্ঠান কিংবা দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, যেটাই খারাপ হোক কেনো তা সামাল দিতে প্রতিষ্ঠানকে খরচ কমানোর পরিকল্পনায় বসতে হয়। তারই একটি অংশ হয় কর্মী ছাঁটাই, পক্ষান্তরে বেতন-ভাতা সংক্রান্ত খরচ কমানো। এই পরিস্থিতিতে এসে প্রতিষ্ঠানের বেশি বেতনের কর্মীরাই বাড়তি ঝুঁকিতে থাকেন। কারণ একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বেতন দিয়ে একাধিক কর্মীর বেতন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব। আর একাধিক ছাঁটাইয়ের তুলনায় একজনকে বাদ দেওয়ার ঝামেলা কম।

বেশি সদস্যের দল: একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একাধিক বিভাগ থাকে। বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে একটি বিভাগের আওতায় একাধিক কর্মীদল থাকে। এমন এক কর্মীদলে কর্মীর সংখ্যা যদি অনেক বেশি হয় তবে সেখান থেকে বাদ দেওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। খরচ বাঁচানো জন্য পুরো দল বা বিভাগ বন্ধ করার তুলনায় দলের সদস্যা কমানো যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। আর একটি বড় দল যদি সেই অনুযায়ী ফলাফল দিতে না পারে তবে সেখান থেকে কর্মী ছাঁটাই হওয়াই স্বাভাবিক।

বিপ্লবী কর্মী: কর্মী ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত যেমন কঠিন তেমনি সমালোচিতও বটে। তাই কোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা বিভাগ চাইবে না তাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে কেউ পাল্টা প্রশ্ন করুক। ফলে বড় ধরনের ছাঁটাই শুরু হওয়ার আগেই তারা এমন বিপ্লবী কর্মীদের বাদ দিতে পারেন যাতে ছাঁটাই নিয়ে বড় ধরনের সমালোচনা এড়ানো যায়।

অল্প খরচে বাইরে থেকে কাজ করানো: আর্থিক সমস্যা থাকুক আর না থাকুক প্রতিটি প্রতিষ্ঠান চায় তার খরচ কমাতে। অফিসের যে কাজটি করার জন্য বেতন দিয়ে লোক রাখা হয়েছে তা যদি বাইরের কোনো প্রতিষ্ঠান করে দেয় কম খরচে তবে প্রতিষ্ঠান সেদিকেই আগ্রহী হবে। আর একেই বলা হয় ‘আউটসোর্সিং’। খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি ‘আউটসোর্সিং’ আরও অনেক সুবিধা নিয়ে আসে। যেমন- অভিজ্ঞ কর্মী, জনবল, সময় ও স্থান সাশ্রয় ইত্যাদি। তাই অফিসে আপনার কাজ যদি ‘আউটসোর্সিং’য়ের যোগ্য হয় তবে চাকরি হারানোর ঝুঁকি থেকেই যাবে।

প্রতীকী ছবির মডেল: মাহা। ছবি: দীপ্ত।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top