প্রতিদিনের খাবারে রাখুন এক বাটি দই আর দূরে থাকুন ৭টি রোগ থেকে

ভোজন রসিক বা স্বাস্থ্য সচেতন সবারই দই অনেক পছন্দের খাবার। পুষ্টিবিদদের মতে দই স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি উপকারী। হজম শক্তি বৃদ্ধি করার সাথে সাথে এটি ওজন কমাতেও সাহায্য করে থাকে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এক বাটি দই রাখুন আর দূরে থাকুন কিছু স্বাস্থ্যগত সম্যসা থেকে। মিষ্টি দইয়ের চেয়ে টক দই বেশি পুষ্টিদায়ক। আসুন জেনে নিই দইয়ের পুষ্টিকথা।

১। হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে

আধুনিক যুগে বেশিরভাগ মানুষই হার্টের সমস্যায় ভুগে থাকেন। অল্প বয়সী মানুষেরাও এখন এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। দই হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এটি উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে থাকে। যা হৃদরোগে হওয়া প্রতিরোধ করে।

২। দাঁত ও হাড় মজবুত করে

দইয়ে আছে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি যা হাড় এবং দাঁত মজবুত করে থাকে। এতে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম আছে যা দাঁত মজবুত করে থাকে। এবং এটি হাড়ের রোগ অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে করে থাকে।

৩। হজমে সাহায্য করে থাকে

দই হজমশক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। শুধু তাই নয় এটি অন্যান্য খাদ্যের সাথে মিশে এর পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি করে থাকে। এর মধ্যে কিছু উপাকারী ব্যাকটেরিয়া আছে যা খাবার হজম করতে সাহায্য করে থাকে।

৪। ওজন কমাতে

পুষ্টিবিদদের ডায়েট চার্টে দই বিশেষভাবে উল্লেখ থাকে। দইয়ে ক্যালসিয়াম আছে যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এবং এটি দেহের বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমিয়ে থাকে।

৫। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

দইয়ে থাকা ব্যাকটেরিয়া দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে। এতে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান ইনফেকশনের সঙ্গে লড়াই করে থাকে। দইয়ের এই পুষ্টিগুণ রান্না করলেও নষ্ট হয়ে যায় না।

৬। ত্বকের যত্নে

ত্বক পরিচর্যায় দই আদিকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে। এটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করে থাকে।

৭। মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে

টক দই মানসিক চাপ ও দুশিন্তা কমাতে সাহায্য করে থাকে। ইউসিএলএ এর স্কুল অফ মেডিসিনের এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে টক দই আবেগ নিয়ন্ত্রন করে মানসিক চাপ ও দুশিন্তা কমিয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: 9 reasons you should have curd with every meal
10 reasons why you should have your daily bowl of curd

 

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top