আনারস, পেঁপে ও বেকিং সোডার ব্যবহারে অনাকাঙ্ক্ষিত “গেঁজ” দূর করার ৩টি অসাধারণ উপায়

“গেঁজ” অসুখটির সাথে কমবেশি অনেকেই পরিচিত। হাত বা পায়ের কোন বিশেষ একটি স্থানে ত্বকের কোষগুলো মরে গিয়ে শক্ত হয়ে জমে যায়, অনেকটা গোটা পাকিয়ে যায়। হাঁটতে গেলে বা কোনভাবে চাপ লাগলে ব্যথা করে। কোন ওষুধ খেয়েই এই গেঁজের সমস্যা পুরোপুরি দূর করা যায় না। গেঁজ হয়ে থাকে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমনের কারণে। তাই একে সাধারণ কোন সমস্যা ভেবে অবহেলা করার উপায় নেই মোটেও। যেমন, আপনি জানেন কি এই ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়? একজন গেঁজ আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত রেজর, তোয়ালে বা অন্যান্য জিনিস থেকে আপনার শরীরেও উপস্থিত হতে পারে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস। আর যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে থাকে, তাহলে আপনার শরীরেও দেখা দিতে পারে গেঁজ। কেবল হাতে বা পায়েই নয়, মুখ সহ শরীরের যে কোন স্থানেই দেখা দিতে পারে এই বিব্রতকর ও যন্ত্রণাদায়ক অসুখ। তবে চিন্তা নেই, ঘরোয়া পদ্ধতিতেই এই রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব।
ইতিপূর্বেই প্রিয়.কমে আমরা প্রকাশ করেছিলাম অনাকাঙ্ক্ষিত গেঁজ দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়। আজ রইলো দ্রুত এই গেঁজ হতে মুক্তি পাবার আরও ৩টি ঘরোয়া কৌশল। আর এই কাজে আমরা ব্যবহার করবো একেবারেই সহজ লভ্য কিছু উপাদান। যেমন আনারস, কাঁচা পেঁপে ও বেকিং সোডা!
আনারস

দারুণ সুস্বাদু এই ফলে আছে হরেক রকমে এনজাইম ও প্রাকৃতিক এসিড যা গেঁজের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর। দিনের মাঝে কয়েকবার আনারসের টুকরো নিয়ে গেঁজের ওপরে ঘষুন। কিছুদিন নিয়মিত ব্যবহার করলেই গেঁজ মিলিয়ে যাবে।
বেকিং সোডা

অনন্য গুণ সম্পন্ন বেকিং সোডা গেঁজের সমস্যা দূর করা ক্ষেত্রেও অত্যন্ত কার্যকর। বেকিং সোডার সাথে ক্যাস্টর ওয়েল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন এই পেস্ট সারা রাত গেঁজের স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এভাবে প্রতিদিন করুন যতদিন পর্যন্ত না মিলিয়ে যাচ্ছে। ক্যাস্টর অয়েলের পরিবর্তে তুলসী পাতার রসও ব্যবহার করতে পারেন।
কাঁচা পেঁপে

কাঁচা পেঁপের মাঝে এমন কিছু এনজাইম, যা গেঁজকে সহজেই মিলিয়ে দিতে পারে। কাঁচা পেঁপে নিন, সেই পেঁপে কেটে ফেলুন। দেখবেন পেঁপের শরীরে খুব আস্তে আস্তে বিন্দু বিন্দু কশ জমা হচ্ছে। এই কশ সংগ্রহ করুন। পানির সাথে মিশিয়ে গেঁজের স্থানে লাগান। প্রতিদিন নিয়ম করে লাগাবেন।
তথ্য সূত্র-
How To Remove Warts Naturally- www.dailynutritionnews.com

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top