মাথাব্যথা কত ধরনের হয়ে থাকে?

মাথাব্যথা বলতে সাধারণত আমরা মাথার যন্ত্রণাকে বুঝি। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় এর বিভিন্ন নাম রয়েছে অর্থাৎ মাথাব্যথা কয়েক ধরনের হয়ে থাকে।

মাথাব্যথার প্রকারভেদ :

১. সাধারণত মাথায় যেসব ব্যথা হয়ে থাকে সেগুলো হচ্ছে টেনশন হেডেক বা অত্যধিক চিন্তার ফলে মাথাব্যথা। এ ব্যথা মাথার উভয় পাশ থেকে শুরু করে ঘাড় পর্যন্ত কয়েক দিন ধরে থাকতে পারে।

২. মাইগ্রেট বা মাথার এক পাশে ব্যথা। এ ব্যথাকে আধকপালেও বলা হয়। এ ব্যথার কারণে মাথার এক পাশে ব্যথা করে, সাথে সাথে বমিও হয়।

৩. ক্লোস্টার হেডেক বা কিছুক্ষণ পরপর ব্যথা। এর ফলে চোখের চার পাশে ব্যথা হয়। এ ধরনের ব্যথা সাধারণত এক দিন স্থায়ী হয়ে থাকে। তবে এক মাস পর আবারো হতে পারে।

৪. ক্রনিক হেডেক বা দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা। এ ব্যথা ১৫ দিন থেকে তিন মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়।

এছাড়া অত্যধিক ধূমপান, অ্যালকোহল পান, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, অনিন্দ্রা ও রক্তে সুগারের পরিমাণ কমে যাওয়ায় মাথাব্যথা করতে পারে।

চিকিৎসা :

সাধারণত ব্যথানাশক ওষুধ খেলেই মাথাব্যথা সেরে যায়। কপালে ব্যথানাশক মলমও লাগানো যেতে পারে। তবে বেশি ব্যথা হলে ট্রিপট্যান এবং ৫ এইচটি জাতীয় ওষুধ খেতে হবে। অনেক সময় ব্রেনে অক্সিজেনের অভাব হলে মাথাব্যথা করে। সেক্ষেত্রে পর্যাপ্ত অক্সিজেন নিতে হবে। তবে সব সময় চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।

uf

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top