যে ৭টি সুপার ফুড ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে

বর্তমান সময়ে পরিচিত এবং আলোচিত একটি রোগের নাম ডায়াবেটিস। শরীরের ইনসুলিনের ঘাটতি হলে রক্তে সুগার লেভেল বেড়ে যায়। যার ফলে ডায়াবেটিস দেখা দিয়ে থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদের নানা খাবারে উপর নিষেধাজ্ঞা থাকে। কিন্তু কিছু খাবার আছে যেগুলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখে। এই খাবারগুলোকে ডায়াবেটিসের জন্য সুপার ফুড বলা হয়।

১। ব্রোকলি

ব্রোকলিকে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সুপার হিরো বলা হয়ে থাকে। এতে সালফ্রোফেইন আছে যা রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণ করে হৃদযন্ত্র ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে থাকে। এছাড়া সালফ্রোফেইন দেহের এনজাইম সচল রেখে ক্যানসার প্রতিরোধ করে থাকে।

২। বাদাম

বাদামের ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন, মিনারেল শরীরে শক্তি যোগিয়ে থাকে। এমনকি বাদামের কিছু ফ্যাট শরীরে ইনসুলিন হ্রাস করে থাকে। তবে বাদামে ক্যালরির পরিমাণ বেশি থাকায়, অল্প পরিমাণ করে খাওয়া উচিত। প্রতিদিন ২ আউন্স বাদাম খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যকর।

৩। অলিভ অয়েল

অন্যান্য ভোজ্য তেলের তুলনায় অলিভ অয়েল অনেক বেশি হালকা। এর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে। স্প্যানিশ এক গবেষণায় দেখা গেছে অলিভ অয়েল শতকরা ৫০ পর্যন্ত ২ টাইপ ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে থাকে সাধারণ ডায়েটের তুলনায়।

৪। দারুচিনি

রান্নাঘরের খুব পরিচিত মশলা দারুচিনি। এটি শুধু রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি করে থাকে না, এর ঔষধি গুণ রয়েছে অনেক। এটি রক্তে গ্লুকোজ কমিয়ে দিয়ে ইনসুলিন বৃদ্ধি করে থাকে। ২০০৩ সালের এক গবেষণায় প্রকাশ করা হয়, ৬০ জন ২ টাইপ ডায়াবেটিস মানুষের উপর পরীক্ষা চালানো হয়। এদের মধ্যে কিছু মানুষ ডায়াবেটিস পিল এবং বাকী মানুষ দারুচিনির গ্রহণ করে ৪০ দিনের জন্য। যারা দারুচিনি খেয়েছেন তাদের ব্লাড সুগার ১৮% থেকে ২৯% পর্যন্ত কমে যায়। প্রতিদিন ১ গ্রাম দারুচিনি ব্লাড সুগার উন্নত করে থাকে ২০ দিনের মধ্যে।

৫। করলা

করলার তেত স্বাদের জন্য অনেক মানুষই এটা খেতে পছন্দ করে না। কিন্তু এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রণ এবং বিটা ক্যারটিন আছে। যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করে থাকে।

৬। পালং শাক

সবুজ শাক যেমন পালং শাক ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে। যারা প্রতিদিন পালং শাক বা অন্যান্য শাক খেয়ে থাকেন তাদের শতকরা ১৪ পর্যন্ত ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে যায়। পালং শাকে ভিটামিন কে, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, জিঙ্ক লুটিনসহ আরও অনেক ফ্ল্যাভোনয়েড আছে।

৭। সামুদ্রিক মাছ

বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ যেমন স্যামন, সার্ডিন ইত্যাদিতে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং প্রোটিন আছে। যা চোখের জন্য বেশ উপকারী। ডায়াবেটিস চোখের ক্ষতি করে থাকে। ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তের সুগার হ্রাস করে চোখের প্রতিরোধ করে থাকে।

 

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top