এক ঘন্টার বেশি গান শুনবেন না!

গান শুনতে ভালবাসে না এমন মানুষ খুঁজে মেলা ভার! আইফোন, আইপ্যাডের যুগে এখন সবার কানে কানে হেডফোন। স্কুলের যাওয়া ছোট বাচ্চাটি শুরু করে অফিসগামী প্রতিটি মানুষের কানে হেডফোন। কিন্তু আপনি জানেন কি, এই হেডফোনের কারণে আপনার শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ১.১ বিলিয়ন টিনেজার এবং তরুণরা স্থায়ীভাবে শ্রবণশক্তির ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে অতিরিক্ত জোরে গান শোনার জন্য।

একজন মানুষের বিকাশ ১৯ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে হয়ে থাকে। আর এই সময়টিতে উচ্চ মাত্রার শব্দ শ্রবণ ক্ষমতার দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। যা পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে বধির করে দিতে পারে!

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ১২ থেকে ৩৫ বয়সী ৪৩ মিলিয়ন মানুষেরা তাদের শ্রবণশক্তি হারিয়েছেন এবং এর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে এর বেশিরভাগ মানুষ ধনী এবং  মধ্যম আয়ের দেশে যেখানে যাদের ব্যক্তিগত অডিও ডিভাইস থেকে অতিরিক্ত শব্দ বের হত।

অপরদিকে ৪০% মানুষ শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে ক্লাব এবং বারের মিউজিক স্টিমের কারণে। ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ৩.৫% আমেরিকান টিনেজার তাদের শ্রবণশক্তি হারিয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে গান শোনার সময় এবং এর মাত্রা এই পরিমাণে হওয়া উচিত।

৮৫ ডিবি- গাড়ির ভিতর- ৮ ঘন্টা

৯০ ডিবি- বাগানে ঘাস কাটার সময়- ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট

৯৫ ডিবি- মোটর সাইকেল চালানোর সময়- ৪৭ মিনিট

১০০ ডিবি- পাতাল ট্রেনে- ১৫ মিনিট

১০৫ ডিবি- এমপি থ্রি প্লেয়ারে সর্বোচ্চ ভলিউমে- ৪ মিনিট

১২০ ডিবি- সাইরেনের আওয়াজে- ৯ সেকেন্ড

Paul Breckell, the chief executive of the charity Action on Hearing Los বলেন “ আমি গানপ্রেমীদের ৮৫ ডিবির উপরে গান না শোনার অনুরোধ করছি। এর বেশি ডিবি আপনার শ্রবণশক্তির দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করে থাকে”।

তাই উচ্চমাত্রায় একঘণ্টার বেশি হেডফোনে গান শোনা উচিত নয়। এতে শ্রবণশক্তি দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top