অ্যাজমা নিরাময়ে পেঁয়াজের ব্যবহার

পেঁয়াজ স্বাদ বৃদ্ধিতে অনন্য হলেও পেঁয়াজের খোসা ছাড়ানো বিরক্তিকর একটি কাজ। তারপরও পেঁয়াজের প্রয়োজনীয়তা ও উপকারিতাকে অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। শুধু  রান্নার কাজেই পেঁয়াজ ব্যবহৃত হয়না, পেঁয়াজের অগণিত স্বাস্থ্য উপকারিতাও আছে। অ্যাজমা বা হাঁপানি নিরাময়ে পেঁয়াজ কীভাবে সাহায্য করতে পারে সে বিষয়েই জানবো আজকের ফিচারে।

পেঁয়াজ সাধারণত সাদা এবং লাল এই দুই ধরনের হয়ে থাকে। লাল পেঁয়াজ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এবং এর অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি গুনাগুণ আছে বলেও জানা যায়। একারণেই অ্যাজমা নিরাময়ের সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে গণ্য করা হয় পেঁয়াজকে। ভিটামিন সি এবং সালফার যৌগে সমৃদ্ধ পেঁয়াজ। এছাড়াও পেঁয়াজের ব্যাকটেরিয়া রোধী ও ভাইরাস রোধী উপাদান ও আছে।

বিভিন্ন গবেষণায় জানা গেছে যে, লাল পেঁয়াজে যে থায়োসালফিনেট যৌগ থাকে তা সবচেয়ে ভালো অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান। এছাড়াও পেঁয়াজে, বিশেষ করে লাল পেঁয়াজে কোয়ারসেটিন এবং অ্যান্থোসায়ানিন সায়ানিডিন নামক ফ্লাভোনয়েড থাকে যা একধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যৌগ। এরা  অ্যালার্জি নিরাময়ে সাহায্য করে, অ্যাজমা অ্যালার্জির কারণে বৃদ্ধি পায়।

অ্যাজমা নিরাময়ের সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হচ্ছে লাল পেঁয়াজ ব্যবহার করা। অ্যাজমা নিরাময়ে পেঁয়াজ ব্যবহারের পদ্ধতিটির বিষয়ে জেনে নিই চলুন।

প্রয়োজনীয় উপাদান

আধা কেজি লাল পেঁয়াজ

৬-৮ টেবিলচামচ মধু

৩০০ গ্রাম গাঢ় বাদামী চিনি

২ টি লেবু

৫-৬ গ্লাস পানি

তৈরির প্রক্রিয়া

একটি পাত্রে পরিমাণ মত চিনি নিয়ে তাপ দিতে থাকুন যতক্ষণ না গলে যায়। এবার কাটা পেঁয়াজগুলো এর মধ্যে দিয়ে নাড়তে থাকুন। এর সাথে পানি যোগ করুন। এই পানির মিশ্রণ এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমে যাওয়া পর্যন্ত জ্বাল দিতে থাকুন। এরপর এটি ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার পরে এর সাথে লেবুর রস ও মধু মেশান। মিশ্রণটি একটি কাঁচের জারে করে সারারাত রেখে দিন।

যেভাবে গ্রহণ করবেন

প্রতিবার খাওয়ার পূর্বে বড়রা ১ টেবিল চামচ এবং ছোটরা ১ চা চামচ পান করুন এই মিশ্রণটি উপসর্গ না যাওয়া পর্যন্ত। কাঁচা বা রান্না করা পেঁয়াজ খাওয়া উচিৎ খাদ্য গ্রহণের সময়।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top