‘লো ব্লাড প্রেসার’ স্বাভাবিক করতে যা করণীয়

অনেকের ধারণা যাঁদের স্বাস্থ্য দুর্বল তাঁরাই নিম্ন রক্তচাপে ভুগেন। চিকন বা মোটা যেকোন ব্যক্তির এ সমস্যা হতে পারে। সাধারণত অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে এ সমস্যা হয়ে থাকে। আসুন জেনে নিই এর কারণ,লক্ষণ ও করণীয় সন্মন্ধে।

নিম্ন রক্তচাপ বা লো প্রেসার কী?

সাধারণত সিস্টোলিক রক্তচাপ ১০০ মিলিমিটার পারদ ও ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৬০ মিলিমিটার পারদের নিচে হলে তাকে নিম্ন রক্তচাপ ধরা হয়। প্রেসার লো হলে ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, অবসাদ, বুক ধড়ফড়, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া সহ স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে অসুবিধা দেখা দিতে পারে।

আসুন দেখে নেয়া যাক কি করলে কমে যাওয়া ব্লাড প্রেসার স্বাভাবিক করা যায়।

১. লবণে আছে সোডিয়াম, যা রক্তচাপ বাড়ায়। তবে বেশি লবণ না খাওয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও আধা চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে ডায়াবেটিস থাকলে চিনি বাদ দিন।খাবার স্যালাইন খেলেও প্রেসার স্বাভাবিক হয়।

২. আদিকাল থেকেই যষ্টিমধু বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে পান করুন। এছাড়া, দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।

৩. হাইপার টেনশনের ওষুধ হিসেবে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে কিসমিস। আধা কাপ কিসমিস সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে কিসমিস ভেজানো পানি খেয়ে নিন। এছাড়া, পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন।

৪. স্ট্রং কফি, হট চকোলেট এবং যেকোনো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেয়ে নিতে পারেন।

৫. ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে। পুদিনাপাতা বেটে এতে মধু মিশিয়ে পান করলে কাজে দেবে।

৬. বিটের রস হাই ও লো প্রেসার- উভয়টির জন্য সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top