বেলের যত গুণ

ন্যাড়া বেল তলায় একবারই যায়। এরকম কথার প্রচলন থাকলেও বেলের পুস্টিগুণ জানার পর বোধ হয় হাজার বার যেতেও দ্বিধা হবে না। বেলের জন্ম ভারত বর্ষে। সেই আদি কাল থেকে পেটের সমস্যায় কাচা বেলের ব্যবহার হয়ে আসছে। ভিটামিন-সি, ভিটামিন-এ আর কালসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়ামের মত খনিজে ভরপুর বেল। চলুন দেখে নেয়া যাক বেলের পুস্টিগুণ…
– প্রতি ১০০ গ্রাম বেলে আছে ৩১ গ্রাম কার্বহাইড্রেড আর ২ গ্রাম প্রোটিন। যা প্রায় ১৪০ ক্যালরির সমান।
– বেল এ বেটা ক্যারটিনের মত উপাদান রয়েছে। যা ভিটামিন-এ তে পরিবর্তিত হয়। সঙ্গে আছে থাইয়ামিন (ভিটামিন বি১), রিবোফাভিন (ভিটামিন বি২) আর ভিটামিন সি।
– বেলে আছে আয়রন। যা রক্তশহৃন্যতা, টিউবারকুলসিস প্রতিরোধে সহায়তা করে।
– বেলে আরও আছে অ্যান্টিঅগ্ধিডেন্টের মত উপাদান। যা কান্তি দহৃর করতে সাহায্য করে।
– ১৮০ ত্রক্র/ম অ্যাসকরবিক এসিডে ভরপুর বেল মেটাতে পারে শরীরের প্রতিদিনের অ্যাসকরবিক এসিডের চাহিদা।
– বেলের অ্যান্টিহিস্টামিন প্রভাব প্রস্টেট ক্যান্সারের মত বিষয়কে দহৃরে রাখতে সাহায্য করে।
– বেলের আরও আছে ডিংটিফাই ক্ষমতা। যা কিডনি লিভার এর মত অঙ্গকে রাখে দহৃষণ মুক্ত।

এমন আরও অনেক গুনে গুণান্বিত বেল মেটাতে পারে আমাদের দৈনিক পুস্টি চাহিদার অনেকটাই। বলা হয় রোগের প্রতিষেধকের চাইতে রোগ প্রতিরোধ ই উত্তম। আর সেই প্রতিরোধের অন্যতম হাতিয়ার হতে পারে বেল। এবার চলুন দেখে নেয়া যাক বেলের কিছু ব্যবহার…

শুধু আমাদের দেশেই নয়। ভারতবর্ষে বেলের শরবতের কদর অনেক আগে থেকেই। বেলের শরবত যেমন কান্তি দহৃর করে তেমনি দহৃর করতে পারে শারীরিক দুর্বলতা ।

বেল হজমের জন্য খুবই ভাল। যে কোন হজমের সমস্যায় বেল খেতে পারেন চোখ বল্পব্দ করে। আর পুরাতন আমাশয়ে বেলই সবথেকে ভাল কাজ করে। এমনকি বেলের অ্যান্টিফাংগাল আর অ্যান্টিপ্যারাসাইটিক মটার জন্য কৃমি প্রতিকারক হিসেবে বেলের কদর অনেক।

৫০ গ্রাম বেল হালকা গরম পানিতে চিনির সাথে মিশিয়ে খেলে রক্ত দহৃষণমুক্ত থাকে। সেই সাথে কিডনি, লিভারের কাজে সহায়তা করে দেহের রোগ প্রতিরোধ মতাকে বাড়ায়।

বেল শুধু দেহের ভেতরেই কাজ করে না। দেহের বাইরেও করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে থাই-মায়ানমার বর্ডার এলাকায় লোকেরা বেলের ভেতরের অংশ আর খোসা মিশিয়ে তৈরি করে ত্রিক্রম। যার ব্যবহার ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top