সিজারিয়ান শিশুর মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে

সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে যেসব শিশু জন্মগ্রহণ করে তাদের পরবর্তীতে মস্তিষ্কের বিকাশে কিংবা মনোযোগ দেওয়াতে কোনো সমস্যা হয় কি না, তা নিয়ে একটি গবেষণার ফলাফল পাওয়া গেছে সম্প্রতি। এতে জানা গেছে বেশ কিছু নতুন তথ্য। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে আইএএনএস।
অতীতে শিশুর জন্মের পদ্ধতির সঙ্গে অন্য বিষয়গুলোর সম্পর্ক জানা যায়নি। কিন্তু সম্প্রতি এক গবেষণায় এ বিষয়টি জানা গেছে। গবেষকরা অতীতে জানিয়েছেন, জন্মের সময় শিশুর ওজন ও মায়ের বয়স শিশুর মস্তিষ্ক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।
সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, সিজারিয়ান পদ্ধতিতে জন্মগ্রহণ করা শিশুর মস্তিষ্কে মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতায় কিছুটা ঘাটতি দেখা যায়। বিশেষ করে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে মনোযোগের ক্ষেত্রে এ পার্থক্য হয়।
এ বিষয়ে টরন্টোর ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির গবেষক প্রফেসর স্কট অ্যাডলার বলেন, ‘আমাদের গবেষণায় উঠে এসেছে শিশুর সি-সেকশনে জন্মগ্রহণ বিশেষ মনোযোগের ক্ষমতা ধীর করে দেয়। এতে শিশু কোনো বিষয়ে আগ্রহী হওয়ার ক্ষমতা প্রভাবিত হয়।’
এ গবেষণার জন্য ৩৪ জন নবজাতককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এতে তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা হয়।
গবেষকরা জানান, সিজারিয়ান নয় বরং স্বাভাবিকভাবে যেসব শিশু জন্মগ্রহণ করেছে তাদের মাঝে মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা বেশি হয়।
গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে অ্যাটেনশন, পারসেপশন অ্যান্ড সাইকোফিজিকস জার্নালে।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top