সুস্থভাবে শিশু গড়ে তোলায় সহানুভূতি ও ক্ষমা গুরুত্বপূর্ণ

সুস্থভাবে শিশু গড়ে তোলার পেছনে বাবা-মা তাদের বহু মেধা ও শ্রম ব্যয় করেন। কিন্তু তার পরেও তাদের নানা কার্যক্রম প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে পড়ে। আপনি কি আপনার সন্তানদের বেশি বা কম মাত্রায় প্রশংসা করেন? আপনি কি তাদের পর্যাপ্ত শৃঙ্খলাবোধ শিখিয়েছেন? আপনি কি তাদের উপযুক্ত দক্ষতা শিখিয়েছেন? এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
সঠিক উত্তর দেওয়ার বিষয়টি বিভ্রান্তিকর। এর কারণ ব্যাখ্যা করেছেন চাইল্ড সাইকোথেরাপিস্ট ও লেখক কেটি হার্লি। তিনি জানান, কোনো শিশুই অন্য শিশুর সঙ্গে মেলে না। তাই প্রত্যেক শিশুর জন্যই উত্তরের ভিন্নতা রয়েছে। প্রত্যেক শিশুই ভিন্ন বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।
এক্ষেত্রে শিশুর সঙ্গে কেমন আচরণ করতে হবে, এ প্রসঙ্গে হার্লি জানান, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শিশুর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ রক্ষা করা। তার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে পরিচিত হয়ে তার সঙ্গে উপযুক্ত আচরণ করা।

হার্লে একটি বই লিখেছেন, যার নাম ‘দ্য হ্যাপি কিড হ্যান্ডবুক।’ নিজের এ বইতে তিনি শিশুকে আনন্দের মাঝে রাখার জন্য ও তার মানসিক চাপ কমানোর জন্য নানা উপায়ের বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, মানসিক চাপ ও উদ্বেলতা তাদের বিভ্রান্ত করে। এতে তাদের হৃৎপিণ্ড সত্যিই জোরে চলা শুরু হয়। অন্যদিকে তারা যখন কোনো চাপের মাঝে থাকে না তখন তাদের শান্ত ও ধীরস্থির মনে হয়।

শিশুদের ক্ষমার শিক্ষা দেওয়া হার্লের আরেকটি কৌশল। এতে তাদের মানসিক চাপ দূর করা যায় এবং অশান্তি দূরে থাকে। এক্ষেত্রে সাধারণ কিছু আচরণ যেমন, ভাই-বোনকে ‘দুঃখিত’ বলা শেখানো গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক সহানুভূতি শিক্ষা দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এছাড়া তাদের কোনো আচরণেই বিভ্রান্ত না হলে ঠাণ্ডা মাথায় সেসব বিষয় মোকাবেলা করা উচিত। এগুলো শিশু বড়দের কাছ থেকে শিখবে। বড়রা যে আচরণ করবে তারাও পরবর্তীতে সে আচরণ করবে।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top