স্ত্রীর সাথে তুল’লে গা’লি , মায়ের সাথে তুললেও গালি

চঞ্চল চৌধুরী কি প্রথম ব্যক্তি যিনি এভা’বে কুৎসিত ভা’ষায় ফেসবুকে আ’ক্রান্ত হয়েছেন?

ভাবনা কি প্রথম মেয়ে যে এভাবে ফে’সবুকে আ’ক্রান্ত হয়েছে?

এটা প্রথম না। শেষও না।

এখানে একদল বিকৃত রূচির অন্ধ মানুষ আছেন যারা তাদের মতের সাথে বা পথের সাথে সামান্য অমিল হলেই ঝা’পিয়ে পড়েন তাদের নিজেদের মায়ের ভাষায় ।

সে ভাষা শ্রবন অযোগ্য, লে’খারও অযোগ্য। তারা কুৎসিত গালি’গু’লিকে সামান্য কয়ে’কটা বর্ণ বদলে দিয়ে ব্যবহার করেন যাতে মানুষ বোঝে যে কি বলা হচ্ছে। শুন’লে মনে হয় গালি কিন্তু লিখেছে অন্য’ভাবে।

এই কাজ গু’লি কারা করে?

এই কুকথা বলার চল কা’রা শুরু করেছিল? কবে করেছিলো?

এরকম কি এক’দিনই হলো নাকি আগেও হয়েছে?

এরকম রোজ হয়। কেউ না কেউ কোথাও না কোথাও আক্রান্ত হয়। এক মা ছেলে’কে হিজাব পরে ক্রিকেট খেলা শেখা’নোর সময় ছবি পোস্ট হয়ে মারা’ত্ম’কভাবে আ’ক্রান্ত হয়েছেন।

সাকিব আর শিশির কে, নাসিরের বোনকে, মুশফিককে বাজে কথা বলা হয়েছে।

ন্যান্সিকে, আঁখীকে। কাকে না?

এরকম অনেক।

সাধারন মানু’ষদের কথা নাই বললাম। সাই’বারবু’লিই’য়িং করা এখন নিত্য দিনের বিষয়। ভদ্রতা সভ্য’তা কোন কিছুর বালাই নাই। পাব’লিক গ্রুপে ও পেজে আজে বাজে কমেন্ট রো’জকার বিষয়।

তার মানে কি?

মানে হলো এই সমা’জটাই আমাদের সমাজ। এই জঘন্য লো’কগু’লিই আমা’দের সমাজে টিকে থাকে কারণ আমরা তাদের কিছু বলি না। তাদের বাবা মা ভাই বোন বন্ধু স্বামী স্ত্রী প্রে’মিক প্রেমিকা স’হক’র্মী তারা তাদের কিছু বলেন না। তারা কেউ না কেউ তো জানেন যে এই গু’য়ের চেয়ে অধিক লো’ক’গুলি কি ধরনের দু’র্গ’ন্ধ ছড়ায় নেট জগতে।

কিন্তু তারা জেনেও না জানার, দেখেও না দেখার ভান করেন।

যারা এগু’লো করে তারা কোন সামাজিক ন্যা’য়নী’তির ধার ধারে না। এরা সাই’কো’প্যাথ। এদের আনন্দ গু ঘেটে। কো’প্রোফ্যা’জিয়া বলে একটা অসুখ আছে, এরা পঁচা গ’লা গু খায়। এই লো’কগুলি সেই র’কম গু ভ’ক্ত।

এরা মায়ের সাথে সন্তানকে দেখে না। এরা দেখে নারী ও পুরুষ। এরা দেখে পো’ষাক। এরা দেখে ধর্ম। এরা দেখে রাজ’নীতি।

তাই হিজাব পরে ক্রি’কেট খেললে গালা’গাল। ব্লাউ’জ এর গলা বড় হলেও গালাগাল।

পাজামা টাক’নুর ওপরে পর’লেও গালা’গাল, জোব্বা পর’লেও গা’লা’গাল। হাফ’প্যা’ন্ট পর’লেও গা’লা’গাল।

বোনের সাথে ছবি তুললে গালি, স্ত্রীর সাথে’ তুললে গালি , মায়ের সা’থে তুল’লেও গালি।

কিছু মেয়ে হা’লাল রু’জি করে , নেটে লাইভে এসে জামা প্র’সা’ধনী শা’ড়ী গয়’না এরকম নানান কি’ছু প্রো’মো’ট করে। এরা তাদের ওখানেও গিয়ে বাজে কথা বলে। তাদের লাইভ রি’পোর্ট করে মুছে’ দেয়। এরা সং’ঘ’বদ্ধ শয়তানের দল।

নানা রকম চেতনার নামে, সিপি জিপি সাইবার সেনা হয়ে এরা গালির মহো’ৎসব করে। এদের মুখের ছিপি খুললেই ভক’ভক করে বের হয়ে আসে ভেতরের দুর্গন্ধ।

এরা সাইবার জগতে আজকের যু’গের আলবদর আলশামস রাজাকার এর প্রতিচ্ছবি, সাই’বদর সা’ইবার’শামস সা’ইরা’জাকার।

এদের ঘৃ’ণা করেন।

এদের প্রতি’হত করেন।

এদের দলমত নির্বিশেষে নিন্দা করেন।

প্রয়োজনে এদের বি’রু’দ্ধে আ’ইনী ব্যবস্থা নেন।

যারা এগু’লো করে তারা আপ’নাদের আশেপাশে থাকলে সবার সামনে বলেন যে সে এরকম রু’চি’হীণ। এদে’রকে ফেস’বুকে বা সাইবার জগতে ভারচুয়ালি না, বরং রি’য়ালিটি বা বাস্তবে পদাঘাত করেন।

যারা এদের বন্ধু তালি’কায় আছেন তারাও নির্ল’জ্জ। তারা জেনে’শুনে এদের সাথে সম্পর্ক রাখেন। অথবা এরাও একই র’কম মানসিক রোগাক্রান্ত।

কোন কোন পুরুষকে দেখলাম সিঁদুর দিয়ে ছবি পোস্ট করে প্রতি’বাদ করছেন।

মাথায় সিঁদুর মেখে এসব রো’মান্টিসি’জম করে কোন লাভ নেই।

নিজের পক্ষ প’রের পক্ষ বিবে’চনায় নেয়া যাবে না। কাউ’কেই এর’কম কুৎসিত ভাষা ব্যবহার করতে দেয়া যাবে না।

আগে এদের বিরু’দ্ধে বলেন নাই। যখন নিজের দলে’র লোক জি’ভ শান দিয়েছে গালা’গাল করে।

এখন সবাই আক্রান্ত। ভেদ বিচার নাই। এখন কেউ বাদ পড়ছে না।

আসেন এদের জনসমক্ষে প্রতিহত করি। এদের নিজেদের জীবন থেকে বাদ দেই।

না হলে এরকম চলতেই থাকবে।

লেখক- ডা. আব্দুন নূর তুষার টেলিভিশন-উপস্থাপক।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top