সম্পর্কের অশনি সংকেত

প্রেমের সম্পর্কগুলো ইদানীং ছেলেখেলা হয়ে যাচ্ছে। সম্পর্ক গড়তেও সময় লাগছে না, আবার ভাঙতেও সময় লাগছে না। সম্পর্কের শুরুতে হয়তো ফোনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলেছেন, সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন দেখা করেছেন, কয়েকদিন যেতে না যেতেই দিনে কিংবা সপ্তাহে একবারও কথা হচ্ছে না, মাসেও দেখা হচ্ছে না। তাহলে সম্পর্ক কি কোনো অশনি সংকেত দিচ্ছে। ভালোবাসার মানুষটির প্রতি একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন ভালোবাসার বিদায় ঘণ্টা বাজছে কিনা?

সম্পর্ক শুরুর দিকে যেভাবে দুজনে কথা বলার জন্য মুখিয়ে থাকতেন। এবং আপনার ভালোবাসার মানুষটিও দেখা করার অপেক্ষার প্রহর গুনতো। কিন্তু সময় যত গড়িয়ে যাচ্ছে ততই দুজনের কথা বলার জন্য কিংবা দেখা করার জন্য আগের মতো আর প্রয়োজন অনুভব করেন না। দিন দিন যদি দুজনের প্রতি দুজনের যোগাযোগ করার আগ্রহ কমে যাচ্ছে। আগের মতো যদি কথা বলতে ইচ্ছে না হয় তাহলে বুঝতে হবে সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়াবে না।

সম্পর্কে সৎ থাকতে চাইলে প্রেমিক কিংবা প্রেমিকা তার পরিবার বন্ধু-বান্ধুবীর সঙ্গে আপনাকে পরিচয় করিয়ে দেবে। খেয়াল করে দেখুন আপনার সঙ্গী কি আপনাকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে কিনা। আপনার ব্যাপারে সবার সঙ্গে শেয়ার করছে কিনা। শেয়ার করলে তা কতটুকু করছে। স্রেফ বন্ধু-বান্ধবী নাকি প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। বন্ধু-বান্ধুবী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিলে সে আপনার সঙ্গে সম্পর্ক নাও রাখতে পারে।

সঙ্গীর বন্ধু-বান্ধুবী এবং পরিবার আপনার সঙ্গে আগের মতো কথা বলছেন না কিংবা খোঁজখবর রাখছেন না। আপনি নিজ থেকে ফোন দিলেও তারা আপনার সঙ্গে আগের মতো আন্তরিকতা নিয়ে কথা বলেছেন না। প্রত্যেকেই আপনার সঙ্গে দুরত্ব বজায় রেখে চলছেন। আপনি যতই তাদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখার চেষ্টা করছেন, তারা ততই আপনার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তাহলে এই লক্ষণও হতে পারে ভালোবাসার অশনি সংকেত।

বেশির ভাগ প্রেমিক সম্পর্ক ভেঙ্গে ফেলতে চাইলে প্রেমিকার পোশাক ও সৌন্দর্য নিয়ে কথা বলেন। কারণ প্রেমিক পুরুষটি জানেন নারীদের সৌন্দর্য নিয়ে কটাক্ষ করে কথা বললে নারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষেপে যান। আর প্রেমিকা যদি সম্পর্ক ভেঙ্গে ফেলতে চায় তাহলে সে প্রেমিকের চাকরি ও অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করে কথা বলে। কারণ পুরুষেরা অর্থের বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করে কথা বললে একদম সহ্য করতে পারে না।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top