১০ মিনিটেই গুছিয়ে ফেলুন আপনার এলোমেলো শোবার ঘর

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে কিংবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে  বিছানা গোছানোর কাজটায় ভীষণ আলসেমি আমাদের। এভাবেই দিনের পর দিন নেহায়েত অগোছালো এবং দৃষ্টিকটু থেকে যায় ঘরটি। শিখে নিন মাত্র ১০ মিনিটে আপনার এলোমেলো শোবার ঘরটাকে ছিমছাম করে গোছানোর কৌশল।

১) সরিয়ে দিন পর্দা

হ্যাঁ, পর্দা সরিয়ে বেশ করে সূর্যের আলো ঢোকার ব্যবস্থা করে দিন ঘরে। এতে আপনি সবকিছু পরিষ্কার দেখতে পারবেন। ঠিক কী কী গোছাতে হবে সব টের পাবেন। শুধু তাই নয়, জানালাও খুলে দিন। এতেঘরে তরতাজা বাতাস খেলবে।

২) বিছানা গুছিয়ে ফেলুন

শোবার ঘরে ঢুকলে সবার আগে নজরে পড়ে বিছানাটা। এ কারণে এটাকে আগে গুছিয়ে ফেলুন। সাথে সাথেই ঘরটাকে আগের চাইতে অনেক গোছানো লাগবে। শুধু তাই না, বিছানা গোছানো থাকলে ঘরের অন্যান্য জিনিস যেমন কাপড়, মশারি, কাগজপত্র এর ওপর রেখে গোছাতে সুবিধে হবে।

৩) ময়লা সরিয়ে ফেলুন

সারা ঘরে অনেক আবর্জনা জমে যেতে পারে সারা সপ্তাহে। এগুলো সরিয়ে ফেলুন ফ্লোর, বেডসাইড টেবিল এবং ড্রেসিং টেবিল থেকে। আরেকটি দারুণ কাজ করতে পারেন। এ সময়ে যদি এমন কিছু দেখেন যা আসলে অপ্রয়োজনীয় তাহলে সেটাও কাউকে দিয়ে দেবার ব্যবস্থা করতে পারেন। যেমন অব্যবহৃত কসমেটিক্স বা পোশাক।

৪) কাপড় গুছিয়ে ফেলুন

সব ময়লা কাপড় একটা বাস্কেটে ভরে ফেলুন এবং ঘরের বাইরে রাখুন। ঘর গোছানো হলে ধোবার জায়গায় রাখবেন। এরপর সব পরিষ্কার কাপড় ভাঁজ করে বা হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখুন। জুতো রেখে দিন শু র‍্যাকে এবং অলংকার উঠিয়ে রাখুন বক্সে।

৫) খেলনা আলাদা জায়গায় রাখুন

বাড়িতে বাচ্চা থাকলে ঘর বেশি এলোমেলো হয় সত্যি। এ কারণে আলাদা একটা ক্লজেট বা বাক্স রাখুন যেখানে আপনার বাচ্চা খেলনা রাখতে পারবে। বাচ্চা যদি যথেষ্ট বড় হয় তবে তাকে দিয়েই গুছিয়ে ফেলুন এগুলো। যদি দেখেন ক্লজেট বা বাক্স ভরে গেছে, আর জায়গা হচ্ছে না তবে কয়েকটি পুরনো খেলনা দান করে দিন।

৬) অপ্রয়োজনীয় সবকিছু সরিয়ে ফেলুন

শোবার ঘরে নয়, অন্য ঘরের জিনিস কিছু পেলে সেগুলোকে ওই ঘরে রেখে আসার ব্যবস্থা করুন। খাবার প্লেট-চামচ রেখে আসুন কিচেনে, তোয়ালে ভাঁজ করে বাথরুমে রাখুন অথবা বারান্দায় মেলে দিন।

৭) দ্রুত ধুলো ঝেড়ে ফেলুন

ড্রেসিং টেবিল এবং বেডসাইড টেবিলের ওপর থেকে সবকিছু সরিয়ে ফেলুন এবং দ্রুত ঝেড়ে ফেলুন ওপরটা। এরপর আবার সবকিছু সাজিয়ে ফেলুন জায়গামত। এখানে অপ্রয়োজনীয় কিছু থাকলে সরিয়ে ফেলুন। এরপর সময় থাকলে মেঝেও একটু ঝাড়ু দিয়ে ফেলুন।

ব্যাস, দশ মিনিটেরও কম সময়ে হয়ে গেলো আপনার ঘর গোছানো। আরও একটি ছোট কৌশল অনুসরণ করতে পারেন। এই কাজগুলোর থেকে পাঁচটি কাজ বেছে নিন। এরপর প্রতিটি কাজের পেছনে দুই মিনিট করে ব্যয় করুন। এতেই দেখবেন একেবারে ঝকঝক করছে আপনার শোবার ঘরটি। যদি আপনি একটু খুঁতখুঁতে হয়ে থাকেন, তবে একটু বেশি সময় নিতে পারেন। তবে একটি কাজে সব সময় ব্যয় করে ফেলবেন না। একের পর এক কাজে হাত দিন।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top