চাকরির প্রথমদিন? মেনে চলুন এই জরুরী বিষয়গুলো…

ইংরেজিতে একটি কথা আছে “ফার্স্ট ইম্প্রেশন ইজ দ্যা লাস্ট ইম্প্রেশন”। প্রথম ধারণাটাই শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তাই সবসময় খেয়াল রাখবেন প্রথম পরিচয়টি যেন ভাল হয়। চাকরির প্রথম দিনের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। চাকরির প্রথম দিনটি অন্যান্য দিনের চাইতে অনেক বেশি গুরুত্বপূণ একটি দিন হয়ে থাকে। প্রতিটি কাজ করতে হয় একটু বেশি সাবধানতায়। কোথাও প্রথম চাকরি করতে গেলে কয়েকটি জিনিস অবশ্যই মনে রাখতে হবে আপনাকে। প্রথমত, আপনার কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত আপনাকে খুব দ্রুত ও ভালোভাবে কোনও জিনিস শিখতে হবে। আরোও কিছু বিষয় আপনার মনে রাখতে হবে।

১। সকালে অফিসে যান আর দেরি করে অফিস থেকে বের হন

অফিসে আপনার সময়ানুবর্তিতা দেখবে। আপনি সঠিক সময়ে আসছেন কিনা, সময়মত কাজ করছেন কিনা ইত্যাদি। চেষ্টা করুন প্রথমদিন সবার আগে অফিসে যাওয়ার। এতে আপনার সম্পর্কে একটি ইতিবাচক ধারণা তৈরি হবে। সবার পরে অফিস থেকে বের না হলেও কাজ শেষ করে অফিস থেকে বের হবেন। তাহলে আপনার বস আপানার কোন অভিযোগ থাকবে না।

। মনোযোগ দিয়ে শুনুন ও খোলামনে কথা বলুন

সবসময় মাথায় রাখুন আপনি প্রতিষ্ঠানের নতুন লোক। তাই সবকিছু বুঝতে কিছুটা সময় লাগবে। আপনার উপরের ব্যক্তিদের কথা শুনুন ও প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যত চিন্তাভাবনা সম্পর্কে বোঝার চেষ্টা করুন।

৩। একজন বন্ধুত্বপূর্ণ সহকর্মী খুঁজে বের করুন

অফিসে নানা ধরণের মানুষ থাকে। এর মাঝে কেউ খুব বেশি সাহায্যকারী, কেউ একটু কম। আপনি এমন একজনকে খুঁজে বের করুন যে আপনাকে অফিসের সব নিয়ম কানুন বুঝিয়ে দিব। আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে তাকে করুন। প্রশ্ন করতে কখনও লজ্জা পাবেন না। আপনি অফিসে নতুন, প্রশ্ন না করলে জানতে পারবেন না অফিস সম্পর্কে।

৪। অজুহাত দেবেন না

কোন কাজ না পারলে অজুহাত দেখাবেন না। আপনি কেন পারেননি বা কেন করতে পারছেন না, এসব অজুহাত কোন প্রতিষ্ঠান শুনবে না। নিজের ভুল স্বীকার করুন। ভবিষ্যৎ এই ভুল যেন আবার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

৫। অফিসের প্রত্যাশার মাত্রা বোঝার চেষ্টা করুন

আপনার কাছে আপনার প্রতিষ্টানের কিছু প্রত্যাশা আছে। সেটি বোঝার চেষ্টা করুন। কেমন কাজ চায় আপনার কাছে প্রতিষ্ঠান, কতটুকু সময় চায় বোঝার চেষ্টা করুন। কোন বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে আপানার ম্যানেজারের কাছে প্রশ্ন করে জেনে নিন। এটি আপনার কাজকে লক্ষ্য অর্জনকে আরও সহজ করে দেবে।

৬। সময়ের কথা মনে রাখুন

আপনার বসকে খুশি করার কোন সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। সময়মত কাজ করা এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। যে কাজই আপনাকে দেওয়া হোক, সময়ের মধ্যে তা শেষ করার চেষ্টা করুন। দেখবেন খুব তাড়াতাড়ি বসের প্রিয় পাত্র হয়ে গেছেন।

৭। শেখার ইচ্ছা

প্রতিযোগিতার এই যুগে আপনাকে প্রতিনিয়ত শেখার চেষ্টা করতে হবে। শিখতে না পারলে আপনি এই যুগে টিকে থাকতে পারবেন না। তাই সবসময় কিছু না কিছু শেখার চেষ্টা করতে থাকুন।

৮। বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার

মনে রাখবেন, কাজের জায়গায় নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন।কেউ আপনার রাগকে ভয় পাবে না,বরং এই রাগ আপনার জন্য নিয়ে আসতে পারে বড় কোন বিপদ। সহকর্মীদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণব্যবহার করুন দেখবেন কাজ অনেক সহজ হয়ে গেছে।

 

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top