যে পাঁচটি কারণে আপনার আয়ু দ্রুত কমছে, জানাচ্ছে সনাতন ধর্ম

দূষণ নয়, নেশা বা অন্য কোনও বহিরাগত করাণ নয়, আপনার ভিতরের কিছু দোষই আপনার আয়ুক্ষয় ঘটায়— এমন কথা বলে সনাতন ধর্ম। ‘শ্রীমদ্ভাগবৎ’ থেকে শুরু করে বৌদ্ধ অনুশাসন, সেখান থেকে সুফি নীতিমালা, এমনকী সম্রাট অশোকের উপদেশাবলিতেও বার বার আত্মক্ষয়ের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এগুলিকে। এগুলির বাস আমাদের মনের গহীনেই। আমরা যদি সচেতন থাকি, তা হলে এদের বিরুদ্ধে আমরা জয়ী হতেই পারি। এদের মধ্যে প্রধান পাঁচটির কথা রইল এখানে।
অহমিকা— সম্রাট অশোক তাঁর নীতিশিক্ষা, যাকে তিনি ‘ধম্ম’ বলে অভিহিত করেছিলেন, তাতে জানিয়েছিলেন, আত্মম্ভরিতা মানুষকে শেষ করে দেয়। তাঁর এই ভাবনার পিছনে ছিল বৈদিক, বৈদান্তিক ও মহাকাব্যিক চিন্তার প্রভাব। বৌদ্ধ নীতিশাস্ত্র এই সুপ্রাচীন চিন্তাকেই অঙ্গীভূত করে।
বাচালতা— অশোক তাঁর প্রজাদের বাক সংযম অভ্যাস করতে বলেছিলেন। নিরর্থক কথা বাড়াতে থাকলে আত্মক্ষয় অনিবার্য।
কৃতঘ্নতা— বিশ্বাসঘাতকতা অন্যের যত না ক্ষতি করে, তার চাইতে অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে বিশ্বাসঘাতককে। সে আত্মপ্রবঞ্চনায় দগ্ধ হতে থাকে। তার আয়ু দ্রুত নিঃশেষিত হয়।
অতিরিক্ত ব্যস্ততা দেখানো— এতে আত্মক্ষয় হয় সব থেকে বেশি। কাজ না থাকলে ভাবনার পিছনে সময় দিন। কিন্তু অতিমাত্রায় ব্যস্ততা প্রদর্শন শক্তিক্ষয় ছাড়া আর কিছুই করে না।
নিজের প্রতি ঔদাসীন্য— নিজেকে সময় দিন। নিজেকে সময় দেওয়ার অর্থ অহমিকা প্রদর্শন নয়। বুঝতে চেষ্টা করুন, কে আপনি। আত্মোপলব্ধিই যে অমরত্বের আস্বাদন নিয়ে আসে, তা ও উপনিষদেও কথিত।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top