পুরানো গয়নার উত্থান

স্টাইল আর ফ্যাশনের হালে পানি না পেয়ে যখন পুরনো কিছু পেলেই নতুন বোতলে ভরে বিকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তখন তাই শুধু কাব্য-কথায় নয় রবি বার বার উদিত হয় ফ্যাশন শিল্পের পূবাকাশে। কখনও শাড়ির আঁচলে, ব্লাউজের নকশায় বা বেণীর বাঁধনে উপলক্ষ হয়ে ওঠে সেকেলে আমল।

হালের চলচ্চিত্রের পর্দা থেকে শুরু করে সব জায়গায় পুরানো গয়নার জয়জয়কার। সেই ঝুমকো, কানপাশা, মানতাসা খেজুরচুড়ি হাড়, কানবালা, হাসুলি, খোপার কাটা, সব কিছুই ঠিক আদ্দি আমলের মতো চৌকো কাট দিয়ে আসছে।

এক পায়ের নূপুরের বদলে পায়ে রূপার খাড়ু, হাতের মোটা বালা, রুলি, পাঞ্জা সব কিছুই এখন দেখতে পাবেন সোনার দোকানে।

কানের জন্য হালকা দুলের পরিবর্তে এখন তিন লহরির ভারি ঝুমকা, কানপাশা, মুক্তো বসানো টানা ও মাকড়ি এখন তরুণীদের প্রথম পছন্দ।

চুলের সাজেও এসেছে পরিবর্তন। হাত খোঁপা করে একটা কাঁটা গেঁথে দেওয়ার দিন শেষ। এখন ভারি খোপায় বসে ঝুমকা। বাহারি সব পুতি আর সোনার মালাও খোঁপায় বসে।

সম্প্রতি ওপার বাংলায় সুমন ঘোষের ছবি ‘কাদম্বরী’ তে এ সিরকার জুয়েলার্সের কাদম্বরী কালেকশনের ট্র্যাডিশনাল গহনায় সেকালের বৌঠানের মতোই সেজেছেন কঙ্কণা সেনশর্মা।

বুঝতে পারছেন তো, জুয়েলারি হাউসগুলোও পিছিয়ে নেই। তারাও বিভিন্ন চরিত্র ধরে গয়না গড়ছেন। চোখের বালির বিনোদিনী ও আশালতার নামেও বাজারে এসেছে ভারি গয়না। গয়নার দোকানগুলো জানিয়েছে, রবীন্দ্রনাথের চরিত্রগুলোর নামেই বেশি গয়না বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top