ফ্যাশনে আরাম চাই

মডেল ও অভিনেত্রী ইমি। ঘড়ি ও জুতার প্রতি আছে বিশেষ দুর্বলতা। টকজাতীয় খাবার পছন্দ করেন।
আরামদায়ক পোশাক পছন্দ করেন মডেল ইমি। ঢিলেঢালা প্যান্ট ও লম্বা টপ। এ রকম পোশাকেই স্বচ্ছন্দ। আগে লেগিংস পরতেন, এখন পালাজ্জো পরছেন।
বিশেষ পার্টিতে যোগ দিতে পোশাক-আশাকে ও নিজের লুকে পরিবর্তন আনেন ইমি। সে ক্ষেত্রেও পোশাকে আরাম খোঁজেন। ইমি জানান, ছোট পার্টি হলে লম্বা গাউন ও বড় পার্টিতে যোগ দিতে শাড়িতে সাজিয়ে নেন নিজেকে। তবে শাড়ি হতে হবে জর্জেটের, হালকা। মাঝেমধ্যে আবার এ ধরনের অনুষ্ঠানে কামিজও পরেন।
এসব পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে গয়না পরেন ইমি। মায়ের দেওয়া সোনার বালাটি সব সময়ই তাঁর হাতে থাকে। পায়ে কাইতন (কালো সুতা)। কানে থাকে লম্বা লম্বা দুল। আর গলায় চোকার বা লম্বা পুতিওয়ালা মালা। ইমি বলেন, ‘বিশেষ অনুষ্ঠানের বাইরে সাধারণত গলায় নিজের তৈরি দেশীয় ধাঁচের গয়না পরতে পছন্দ করি।’
প্রিয় বিড়ালের সঙ্গেএকসময় পায়ে পরার জন্য বিভিন্ন ধরনের জুতার প্রতি দুর্বলতা ছিল তাঁর। এখন স্পঞ্জের স্যান্ডেল। তাই বিভিন্ন রঙের একাধিক স্যান্ডেল রয়েছে তাঁর সংগ্রহে। ইমি বলেন, ‘একসময় পাগলের মতো জুতা সংগ্রহ করতাম। এখন স্পঞ্জের স্যান্ডেল পরতে বেশি ভালো লাগে।’
স্পঞ্জ পরতে আরাম লাগলেও র্যাম্পে হাঁটার সময় ইমি পায়ে পরে নেন উঁচু উঁচু হিল জুতা। তিনি জানান, মঞ্চে হাঁটার সময় যত বেশি উঁচু হিল জুতা পরা যায়, হাঁটার এক্সপ্রেশনটা তত ভালো হয়।

এমন পোশাকে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেনঘড়ির প্রতিও দুর্বলতা আছে এই র্যাম্প তারকার। তাঁর সংগ্রহে আছে নানা দেশের নানা ব্র্যান্ডের অর্ধশতাধিক ঘড়ি। বিশেষ করে অ্যালবা, স্পিরিট, ডিকেএনওয়াই, আরমানি, টনি, সিকে, হিলফিগার, গেস, গুচিসহ একাধিক ব্র্যান্ড। ইমি বলেন, ‘কোনো শো থাকলে বা ঘুরতে দেশের বাইরে গেলে সুযোগ করে কিনে নিই।’ সুগন্ধির মধ্যে আছে বুলগেরি, প্লাসস্মিথ, অ্যাডিডাস, শ্যানেল, ডিকেএনওয়াই, ভারসাসে, নিনারিচি ইত্যাদি। আবার চোখে পরার জন্য তাঁর পছন্দের তালিকায় নানা ডিজাইনের চশমাও আছে।
সাধারণত সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করেন ইমি। ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন নিয়ম করে চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে এক টুকরা পাউরুটি খান। এরপর পার্কে চলে যান। ঘড়ি ধরে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করেন। ইমি বলেন, ‘যেহেতু র্যাম্পে কাজ করি। তাই শরীর ঠিক রাখতে ব্যায়ামটা খুব জরুরি।’
প্রতিদিন হঁাটেনখাবারের বেলায় টকজাতীয় খাবার তাঁর পছন্দ। চিংড়ি মাছ পেলে সব খাবার ভুলে যান তিনি। মায়ের হাতের রান্না করা গরুর মাংস ভালোবাসেন।
নব্বই দশকের হিন্দি গান যেমন শোনেন, তেমনি এ প্রজন্মের শ্রেয়া ঘোষাল, অরিজিৎ সিংয়ের গানও তাঁর পছন্দ।
একটানা কাজ করলে মাঝে দু-তিন দিন ছুটি নেন। তিনি বলেন, ‘এই দুদিনের সময়টা আমার কাছে মধুর মনে হয়। মা-বোনদের সঙ্গে গল্প করে, আড্ডা দিয়ে কাটাই। কখনো কখনো বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বের হই। আর প্রিয় বিড়ালের সঙ্গেও কাটে সময়।’
ইমির অবসরের বেশির ভাগ বিকেল, সন্ধ্যাটা কাটে তাঁর তিনতলা বাসার বারান্দায়। একা একা আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকেন। তখন নিজের কাছে পৃথিবীটা অনেক সুন্দর মনে হয়!

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top