বাংলাদেশে ৫৯০ বার জিন পাল্টেছে করোনা

দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ৫৯০ বার জিন পরিবর্তন করেছে। এর মধ্যে ৮টি একেবারেই নতুন মিউটেশন, যা বিশ্বের আর কোথাও হয়নি; কেবল বাংলাদেশেই হয়েছে।

বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ বিসিএসআইআরের বিজ্ঞানীদের এক গবেষণায় এতথ্য উঠে এসেছে। রবিবার ( ১৯ জুলাই) বিসিএসআইআর এর অডিটোরিয়ামে কোভিড-১৯ এর মিউটেশন নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞানীরা জানান, নতুন মিউটেশনের তথ্যগুলো বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করা হবে। এই তথ্য প্রতিষেধক আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তারা বলছেন, বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটির সঙ্গে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মিল পাওয়া গেছে ইতালির ভাইরাসের সঙ্গে। তবে চূড়ান্তভাবে কিছু বলতে এখনো অনেক গবেষণা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভাইরাসটি প্রোটিন লেভেলে ২৭৩ বার মিউটেশন করেছে এবং ৩৮টি স্পাইক পরিবর্তন করেছে। বাংলাদেশে সংক্রমণের প্রধান কারণ D614G করোনাভাইরাস। ভাইরাসটি মানুষের শরীরের উপকারি ব্যাকটেরিয়া নিষ্ক্রিয় করে দেয়।

ভাইরাসের উৎস, গতি-প্রকৃতি আর বিস্তার সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়ার উপায় জিনোম সিকোয়েন্সিং। বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের প্রায় ৬৭ হাজার জিনোম সিকোয়েন্সিং ডাটা প্রকাশিত হয়েছে উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্মে।

জিনোম সিকোয়েন্সের তথ্য রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি ভ্যাকসিন ও ওষুধের প্রয়োগের ক্ষেত্রেও অংশীদার হতে পারবে বাংলাদেশ। জিনোম সিকোয়েন্সিং এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নমুনা নেয়া হয় ঢাকা বিভাগের- ৬২টি।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top