স্বামীকে দেখলেই আমার মাথায় রক্ত উঠে যায়, খুন করতে ইচ্ছা করে…

প্রশ্নটি আমাদের ফেসবুক পেজে করেছেন : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নারী

আমার বয়স ২১। আমি সিএসই তে পড়ি। তিন মাস আগে আমার পরিবার আমাকে অনেকটা জোর করে বিয়ে দেয়। একবার বিয়েটা আমার বাবা ভেঙে দেয় ছেলের পরিবার যৌতুক চেয়েছে তাই। পরে সেই ছেলের জোরাজুরিতে বিয়েটা আবার হয়।

আমাদের কাবিন হয়েছে কাজি অফিসে। কিন্তু পরে অনুষ্ঠান করে নেয়ার কথা ছিল। তাই আমি তাকে আমার কাছে আসতে দেইনি। আর এমনিতেও আমি তাকে পছন্দ করিনা। বিয়ের পরে দেখলাম উনি আমাকে বিলিভ করে না। আমাকে না জানিয়ে আমার ভার্সিটিতে যায়। খোঁজ নেয় আমার কারো সাথে সম্পর্ক আছে কিনা। আমার বন্ধুদের সাথে নিজে নিজে পরিচিত হয় আর আমাকে ছোট করে।

উনি অনেক কৃপন স্বভাবের আর লোভী। আমাদের বাসা থেকে সবসময় বেশি পাওয়ার আশা করে। এমন কি আমার হাত খরচের টাকাও দিতে চায়না। কিছু নিতে হলে অনেকবার চাইতে হয়। আমার পরিবারও বুঝতে পারছে ও আমাদের সাথে মানায় না। আর আমিও কোনো ভাবে মানিয়ে নিতে পারবনা।

আমি উনাকে সহ্য করতে পারিনা। উনাকে দেখলেই আমার মাথায় রক্ত উঠে যায়। খুন করতে ইচ্ছা করে। আর একটা কথা আমার হাজবেন্ড এর চাইতে আমার পরিবার অনেকটা সচ্ছল। আমি আমার বাবার একটাই মেয়ে। আমার পরিবার অনেক চিন্তা করছে আমাকে নিয়ে।

বিয়েটা কি এখানেই শেষ করব নাকি সব মেনে নিব? কী করব এখন?

 

পরামর্শ

আপু, আমার মতে বিয়েটা অবিলম্বে শেষ করে দেয়াই আপনার ও আপনার পরিবারের জন্য ভালো হবে। অন্তত আপনার স্থানে হলে আমিই সেটাই করতাম। মানুষের স্বভাব কখনো বদলায় না। তার এইসব আজেবাজে অভ্যাস ছাড়াতে পারবেন বলে মনে হয় না। তাছাড়া এমন স্বভাব না হয় মেনেও নিলেন, কিন্তু তিনি যে আপনার পরিবার থেকে টাকা ও সম্পদে লোভ করে, এমন মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখা একেবারেই উচিত হবে না। যারা যৌতুক চায়, তাঁদের সাথে তো বিয়েটা হওয়াও উচিত হয়নি।

আপনি যাকে এক বিন্দু সহ্য করতে পারছেন না, তার সাথে সম্পর্ক মেনে নেয়ার মানে নেই। আজীবনে দুজনেই অশান্তিতে থাকবেন। পারিবারিক সম্মতিতে ডিভোর্স নিয়ে ফেলুন আপু। ৬ মাস মোটেও বেশি সময় নয়। আর তাঁকে নিজের কাছে আসতে না দিয়ে খুব ভালো করেছেন।

 

 

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top