হাই হিল সামলানাের সহজ কিছু উপায়

শপিং করতে গিয়ে এক জোড়া হাই হিলের আকর্ষণ থেকে বাঁচতে না পেরে তা কিনে তো ফেলেছেন- কিন্তু এরপর চ্যালেঞ্জ সেই হিল ম্যানেজ করা! আসলে অনেকেই হিল জুতা বেশিক্ষণ পরে থাকতে পারেন না। অথবা হিল জুতা পরে হাঁটতে পারেন না। কিন্তু তাই বলে জুতার কালকশনে থাকবে না হিল? পরিপাটি সাজসজ্জার অংশ হবে না নতুন কেনা এই জুতা?

তা নয়- হিল পরেই মেতে উঠুন দৈনন্দিন জীবন কিংবা বিশেষ অায়োজনে। বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলুন, দেখবেন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঠিকই হিল জুতা ম্যানেজ করতে পারছেন-

মনে রাখবেন যখনই জুতা কিনবেন তা হয় বিকালবেলা কিনুন বা সন্ধ্যাবেলায় কিনুন। আসলে যত বেলা বাড়ে আমাদের পায়ের পাতা অল্প অল্প ফুলতে থাকে বা সোয়েলিং হয়। তাই বিকেল বা সন্ধ্যাবেলায় জুতো কেনার আদর্শ সময়। তবে বেশি রাতে কিনবেন না, তাহলে সকালবেলা বেশ ঢলঢলে হয়ে যাবে।

বেশি সুঁচালো জুতা কিনলে পায়ের আঙুলের কিন্তু বেশ কষ্ট হয়। কারণ সামনের দিকে বেশি জায়গা থাকে না। তাই গোলাকার জুতো বা পিপটো কেনার চেষ্টা করুন সব সময়। সুঁচালো জুতায় কিন্তু হোঁচট খাওয়ার প্রবণতাও অনেকটা বেড়ে যায়।

হিল জুতা মানেই কিন্তু স্টিলেটো নয়। তার বদলে ওয়েজেস ট্রাই করুন। অনেক বেশি আরামদায়ক। আর দিনের শেষে পায়ে ব্যাথাও অনেক কম হবে।

পাঁচ ইঞ্চি হিল স্টিলেটো অফিস পরে এলে বেশ দেখায়। কিন্তু সারাদিন এই পাঁচ ইঞ্চি সামলানো মুশকিল। তাই অফিসে আরো এক জোড়া জুতো রেখে দিন হিল ছাড়া। যখন নিজের টেবিলে বসে কাজ করছেন সেটা পরে নিন। কেউ বুঝতেই পারবে না।

প্রথমদিকে হিল জুতা পরলে কোনো অসুবিধা হয় না, কিন্তু গোড়ালির ওপর চাপ পড়তে শুরু করলে ব্যাথা শুরু হবেই হবে। তাই এই ব্যাথা অন্তত কয়েক ঘন্টার জন্য এড়াতে ইনসোল ব্যবহার করুন।

ডিনার টেবিলের তলায়‚ বা গাড়িতে যাওয়ার সময় বা অফিসে নিজের চেয়ারে বসে জুতো খুলে রাখুন কিছুক্ষণের জন্য। এতে পায়ের বিশ্রাম হবে আর পেশীরও আরাম হবে।

নতুন জুতো পরার পর অনেকেরই পায়ে ফোস্কা পড়ে। তাই সব সময় সঙ্গে ব্যান্ড এড আর ইনভিজিবল টেপ রাখুন।

লাস্ট বাট নট দ্য লিস্ট- সঠিকভাবে হাঁটুন। হিল পরলে সব সময় মনে রাখবেন পা ফেলার সময় গোড়ালির অংশ আগে ফেলুন। এতে বডি ব্যালেন্স ঠিক থাকবে। পা ঘষে ঘষে একেবারেই হাঁটবেন না।

 

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top