তরুণদের টাকা জমানোর সহজ উপায়

ছাত্র পড়ানো, ফ্রি ল্যান্সিং, খণ্ডকালীন কাজ বা বাসা থেকে নেয়া টাকা হল তরুণদের আয়ের উৎস। তাদের আয় থেকে আবার ব্যয় বেশি। আয় বুঝে ব্যয় করার নীতিতে তারা একেবারেই নারাজ। কিন্তু ঝুঁকিমুক্ত জীবন যাপনে দরকার অর্থ সঞ্চয়। এর সুফল আপনি বুঝতে পারবেন জরুরি মুহূর্তে জমানো টাকা হাতে পেলে। সহজ কিছু ধাপ অনুসরণ করলেই কিন্তু তরুণরা বেশ কিছু টাকা জমাতে পারে। যেমন-

আয় ব্যয়ের হিসাব রাখুন

প্রথমেই আপনাকে হিসাব করতে হবে প্রতিমাসে কত টাকা হাতে আসছে। আপনার টাকা আয়ের উৎসগুলি চিহ্নিত করুন। তারপর মাসের শুরুতে লিখে নিন মোট কত টাকা এসেছে। বেশ কিছু খরচ আছে যেগুলি আপনাকে করতেই হবে তার জন্য হিসাব করুন। এবার এই দুয়ের পার্থক্য করে দেখুন হাতে কতো টাকা অবশিষ্ট আছে।

নির্দিষ্ট পরিমান জমান

এবার বাকি টাকা থেকে দিন প্রতি হিসাব করুন। যেটা লাগবে তা থেকে অতিরিক্ত টাকা সরিয়ে রাখুন। আপনাকে ধরে নিতে হবে আপনি ঐ টাকাগুলো পাননি। সেই টাকার পরিমাণ একটু বড় অংকের হলে ব্যাংকে রাখতে পারেন অথবা নিজের কাছেই যত্নে রাখতে পারেন।

বাড়তি খরচকে না

মাস শেষে হিসেব করলে দেখবেন অনেক বাজে খরচ করে ফেলেছেন- যা না করলেও চলতো। যেমন বন্ধুদের সঙ্গে প্রায়ই দামি কোনো রেস্টুরেন্টে বসা অথবা ভালো একটি হ্যান্ডসেট থাকার পরেও নতুন মডেলের সেট কিনতে চাওয়া, অপ্রয়োজনে শপিং করা, ব্যবহার্য জিনিসের যত্ন না নিয়ে নতুন করে সব কেনা। এইসব বাড়তি খরচগুলো চিহ্নিত করে তা বাদ দেয়ার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনের বেশি টাকা নিয়ে ঘুরলে বিনা কারণে খরচ বাড়তে পারে। তাই সেখানেও সাবধান হোন।

মাসের শেষে বুঝেশুনে টাকা খরচ

মাস শেষের দিকে। অনাকাঙ্ক্ষিত প্রয়োজনে খসে যেতে পারে হিসাবের চেয়ে বেশি টাকা। এখন আপনার টাকার টানাটানি হলে মাসের শুরুতে সরিয়ে রাখা টাকা থেকে অল্প কিছু নিতে পারেন। তবে অবশ্যই সবটা নয়। আপনি যদি অপ্রয়োজনীয় খরচগুলি বর্জন করে আসেন, তাহলে মাস শেষে খুব বেশি টাকার টানাটানি হওয়ার কথা নয়। এবার দেখুন সব খরচ ঠিকঠাক করার পরেও আপনার হাতে বেশ কিছু টাকা আছে।

এভাবে প্রতি মাসে অল্প কিছু জমাতে পারলেই বছর শেষে আপনার হাতে থাকতে পারে বড় অঙ্কের টাকা। সুতরাং শুরু হোক আজ থেকেই।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top