বাড়ির সবার মাঝেই গড়ে তুলুন চমৎকার এই অভ্যাসটি

নিজেদের অজান্তেই প্রতিদিন এমন একটি কাজ আমরা করে থাকি যাতে ঘরে অনধিকারপ্রবেশ করে ফেলে অসংখ্য জীবাণু। এই কাজটি করা বন্ধ করে দিলেই কিন্তু বাড়ির পরিবেশ হয়ে উঠবে অনেক বেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। পরিবারের সকলেরই অসুখ-বিসুখ হবে অনেকটাই কম। কিন্তু কী সেই কাজ?

সেই কাজটি হলো, জুতো খুলে ঘরে ঢোকা। দিনের কাজ শেষে ক্লান্ত শরীরে আমরা ভাবি কোনোমতে বিছানা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারলেই কাজ শেষ। ঘরে ঢোকার সময়ে জুতো খুলে দরজার পাশে রেখে আসার কাজটি ঘুণাক্ষরেও মাথায় আসে না। সারাদিনই বাইরের জুতও পায়ে ঘরে হাঁটাচলা করেন অনেকে। কিন্তু ঘরে ঢোকার সময়ে জুতো খুলে আসার অভ্যাসটি তৈরি করুন বাড়ির সবার মাঝে। এতে পাবেন বেশ কিছু উপকারিতা।

১) বাড়িতে ঢুকবে কম ব্যাকটেরিয়া

ফুটপাথ, পাবলিক টয়লেট, এমনকি অফিসের কার্পেট থেকে জঘন্য সব ব্যাকটেরিয়া আটকে যায় আমাদের জুতোর নিচে। এগুলো ঘরে ঢুকিয়ে নিজেরাই নিজের ক্ষতি করছি আমরা।

২) ফ্লোরের ক্ষতি কম হবে

জুতো পড়ে হাঁটলে শুধু কী বাইরের ময়লা ঘরে আসে? বরং জুতোর কারণে আপনার ফ্লোরেরও ক্ষতি হয় অনেক। হাইহিল অথবা শক্ত সোলের জুতো পরে হাঁটলে ফ্লোরের মোজাইক বা টাইলসের ক্ষতি হবে নিঃসন্দেহে। এ ছাড়া ফ্লোরের সৌন্দর্যও সময়ের সাথে কমে যেতে পারে।

৩) অন্যদের অসুবিধা হবে না

গটগট করে সারাদিন জুতো পরে হাঁটলে আপনার প্রতিবেশিরা বিরক্ত হবেন নিঃসন্দেহে। ফ্লোরের ময়লা পরিষ্কার করতেও গলদঘর্ম হতে হবে বাড়ির পরিচারিকাটির। শক্ত অথবা হাইহিল জুতো পরে হাঁটাচলা করতে গেলে আপনার ফার্নিচারেরও ক্ষতি হতে পারে।

৪) পায়ের আরাম হবে

বাইরে থেকে এসে একটু সময় নিয়ে পা থেকে জুতো খুলেই দেখুন না। মনে হবে শরীর থেকে বড় একটি ভার নেমে গেলো। ফ্ল্যাট পরে হাঁটতে গেলেও ঠিক যেন খালি পায়ের মতো আরাম পাওয়া যায় না। খালি পায়ে হাঁটাচলা করলে আপনার পায়ের পেশীগুলোও থাকবে সুস্থ।

৫) ঘর থাকবে দূষণমুক্ত

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটা সত্যি যে জুতোর তলায় করে ঘরে ঢোকা ধুলোময়লা আপনার ঘরের বাতাস দূষিত করতে পারে। বিশেষ করে যেসব বাড়ি এয়ার কন্ডিশনড সেগুলোর জন্য এটা আরও সত্যি। বাড়িতে ঢুকেই যদি জুতো খুলে একপাশে রেখে দেন তবে এই দূষণ কমে আসবে অনেকটা।

মূল: Why Americans Really Should Embrace the “No Shoes in the House” Rule, Popsugar
ফটো ক্রেডিট: www.medicaldaily.com

 

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top