কী করে বুঝবেন, কে বা কারা হিংসে করে আপনাকে !

আজকালকার জ়ামানায় সরাসরি কথা বলার লোকের বড়ই অভাব। মনে এক, মুখে আরেক। সামনাসামনি পেরে না উঠা, পিঠে ছুরি মারা সেই সব লোকের মতলব যেনতেন প্রকারেণ আপনার অনিষ্ট সাধন। আপনি কাতর কণ্ঠ বলে ওঠে, “আমি-ই কেন? আমি তো তার কোনও ক্ষতি করিনি!” আসল কারণ হল, ঈর্ষা! সে আপনাকে ঈর্ষা করে। তাই কখনওই আপনাকে ভালো থাকতে দিতে চান না। সেই সব মুখোশধারী ‘শুভাকাঙ্ক্ষী’দের কী করে চিনবেন, জেনে নিন –

সে আপনাকে ঘৃণা করে
– পারতপক্ষেও আপনি সেই ব্যক্তির ক্ষতি করেননি। কিন্তু সে আপনাকে সহ্য করতে পারে না। এদিকে আপনি ভেবে মরেন, কেন সে আপনাকে সহ্য করতে পারে না। দোষ কি তবে আপনার? জানবে, কাউকে অকারণ পছন্দ না করার কারণ কিন্তু ঈর্ষা।

অযথা এড়িয়ে চলা
– সকলের সামনে আপনার সঙ্গে ভালোভাবেই কথা বলে সে। কিন্তু একান্তে সামনাসামনি হলে সে আপনাকে এড়িয়ে চলে। প্রয়োজনের বেশি একটাও কথা বলে না। বললেও এমনভাবে বলে, আপনার খুব খারাপ লাগে। সম্মানিত বোধ করেন।

অপমান করা
– ভালো মনে আপনি তাকে কিছু বলতে গেলেন, সে পালটা অপমান করে দিল। আপনি বুঝতেই পারলেন না সেই ব্যবহারের অর্থ। মনে মনে খুব দুঃখও পেলেন। এত দুঃখ পাবেন না। জানবেন, আপনার প্রতি ঈর্ষা থেকেই এই ব্যবহারের উদ্রেক। তাই ওই ব্যক্তিকে এড়িয়ে চলুন। পারতপক্ষে মিশতে যাবেন না তার সঙ্গে।

অনলাইনে অপমান 
– এখন সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট খুব পাওয়ারফুল মাধ্যম। দুনিয়ার সব খবর জানা যায়। কোনও ব্যক্তি যদি মনে করে, আপনাকে ফেসবুক বা টুইটারে অপমান করবে, করতেই পারে। ব্যথিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। সেই ব্যক্তিকে সরাসরি ব্লক করে দিন। আউট করে দিন একেবারে।

আপনার সাকসেস, তার ফুট কাটা
– এই সময় বন্ধু ও শত্রু চেনা খুব সহজ। যারা আপনাকে ভালোবাসে, তারা আপনাকে শুভেচ্ছা জানাবে। কিন্তু যে ব্যক্তি আপনাকে সহ্য করতে পারে না, সে  আপনার সাফল্য নিয়ে ফুট কাটবে, হাসাহাসি করবে।

আপনার বিরুদ্ধে নিয়ে যাবে সবাইকে
– কোনও গেটটুগেদার বা পার্টিতে হঠাৎই আপনাকে ডাকা হল না। চেনা বন্ধুরাও কেমন জানি এড়িয়ে যাচ্ছে আপনাকে। আপনি ভাবছেন, কী এমন কারণ? নিজের দোষ দেখা শুরু করলেন। নিজেকে দোষ দেওয়ার আগে একটু খোঁজ নিন। এমন কাউকে নিশ্চয় পেয়ে যাবেন, যে আপনার বিরুদ্ধে নিজের দল ভারী করছে। এর কারণ কিন্তু স্রেফ হিংসেও হতে পারে।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top