জটিল সম্পর্কে পরিবর্তন আনতে বিশেষজ্ঞের টিপস

১. বিচ্ছেদের মাধ্যমে সম্পর্কের ইতি ঘটে। সমস্যার ইতি ঘটে না। তবে এমন কাউকে খোঁজা উচিত যারা সমস্যা মেটাতে সহায়তা করতে পারেন।

২. কাজেই সম্পর্কে সমস্যার মেটানোর সেরা উপায় বিচ্ছেদ নয়। দুজনের বিচ্ছেদে কখনো সমস্যার ইতি ঘটে না।

৩. সম্পর্কে যুক্ত থাকার অর্থ এলিভেটরে চড়ে ওপরে ওঠা। সেখানে নতুন একটি তলার নম্বর টেপা বা এলিভেটর থামিয়ে একটু ঘুরে আসার মতো ভিন্নতা না থাকলে একঘেয়ে লাগবে।

৪. জটিল প্রেম তাই যা কেবল নিজের জন্যে অনুভূত হয়, সঙ্গী-সঙ্গিনীর জন্যে নয়।

৫. আমাদের সঙ্গী-সঙ্গিনীরা চূর্ন নন। কাজেই তাদের জোড়া লাগানোর কিছু নেই। কেবল তাদের সমস্যা মেটানো যায়।

৬. বিবাদ অতি সাধারণ ঘটনা। এদের সামলে নিতে আমাদের কৌশল নিতে হবে। বিশেষ করে সন্তানদের সামনে।

৭. অন্যান্য বিষয়ের ক্ষেত্রে ‘না’ বলতে পারি অনায়াসে। কিন্তু কোনো মানুষের ক্ষেত্রে কেবল ‘হ্যাঁ’ বলতেই শিখেছি।

৮. যখন জীবনটা বিষণ্নতায় ছেয়ে যায়, তখন সঙ্গী-সঙ্গিনীর ঘাড়ে দোষ চাপানো সহজ কাজ। অথচ এটা হয়তো কারোই দোষ নয়।

৯. প্রত্যেকেই তার চিন্তার দিক থেকে সঠিক। অর্থাৎ, কেউ-ই ভুল নন। কাজেই কাউকে দোষারোপ করে লাভ নেই।

১০. আপনার আবেগ ও কর্মকাণ্ডের জন্যে একমাত্র আপনিই দায়ী। কাজেই নিজের কৃতকর্মের জন্যে অন্যের দোষ খুঁজে লাভ নেই।

১১. যখন আমাদের পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসা দরকার, তখন সঙ্গী-সঙ্গিনীকে বলতে পারি। আমাদের ভালো কিছু হলে সবার বিষয়ে চিন্তা করা উচিত।

১২. আমরা পরিস্থিতি বিবেচনায় কারণ নির্ধারণ করি। এর ফলাফল আমরা অভিজ্ঞতা হিসাবে ঝুলিতে পুড়ি। কাজেই সমস্যা আমাদের কেন্দ্র করেই ঘুরপাক খায়। আমাদের সঙ্গীরা তাই দেওয়ার চেষ্টা করেন যা আমরা পেতে চাই।

১৩. আমরা যা বিশ্বাস করি তাকেই সত্য বলে মনে করি। এমনকি সঙ্গী-সঙ্গিনীর ভুল হলেও তা সত্য বলে ধরে নিই। কারণ আমাদের বিশ্বাস স্থাপন হয়েছে সেখানে।

১৪. যখন সঙ্গী-সঙ্গিনীর সবচেয়ে খারাপ বিষয়টি আমরা দেখি, তখন তা আমাদের মাঝে চলে আসে।

১৫. আমাদের যে আচরণগুলো আশা করেন সঙ্গী-সঙ্গিনী, আমরা সেভাবেই ক্রিয়াশীল হয়ে উঠি। যখন অন্যের কাছ থেকে ভিন্ন কিছু আশা করি, তখন নিজের মধ্যে ভিন্ন কিছু আনার চেষ্টা করি।

১৬. যখন আমরা সঙ্গী-সঙ্গিনীর প্রতি আমাদের প্রতিক্রিয়া প্রকাশে ভিন্ন উপায় গ্রহণ করি, তখন তারাও তাদের স্বাভাবিক আচরণ বদলে ফেলেন।

১৭. সঙ্গী-সঙ্গিনীরা কখনোই আমাদের ওপর প্রভাববিস্তার করতে পারেন না, যতক্ষণ না পর্যন্ত আমরা তাদের প্রতি কোনো বিশ্বাস আনি বা বিশেষ আচরণ আশা করি। আমরা যা আশা করি কেবল তারই অভিজ্ঞতা লাভ করি।

১৮. যখন ধ্বংসের শক্তি আমাদের কাছে আসে, তখন তা আসার কারণের দিকেই বেশি নজর দেই আমরা। এই শক্তি পেয়ে আমাদের প্রতিক্রিয়া কেমন হওয়া উচিত তা নিয়ে চিন্তা করি না।

১৯. ক্ষোভের বিপরীতরা হলো বুঝে নেওয়া। সঙ্গী-সঙ্গিনী কেন বা কি করে থাকেন ইত্যাদিতে মনোযোগ দেই আমরা। কারণ মানুষ কি করে তা কেন করে প্রশ্নের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ আমাদের কাছে।

২০. যখন আমাদের সঙ্গী-সঙ্গিনী নিয়ন্ত্রণ হারান, তখন আমাদের উচিত তাদের পাশে সহযোগী হয়ে দাঁড়ানো। তাদের আত্মবিশ্বাস রক্ষার দাঁয়িত্ব আমাদের।

২১. ভালোবাসার অর্থ হলো সঙ্গী-সঙ্গিনী যেমন তেমনকেই মেনে নেওয়া ও তাদের পাশে থাকা। আদর্শগত দিক থেকে তাদের বদলে দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে, প্রয়োজনের খাতিরে নয়।

২২. সঙ্গী-সঙ্গিনীর মাঝে সেরা যে বিষয়টি আমরা বিশ্বাস করি, তার ভিত্তিতেই তার সেরাটা আশা করি। অর্থাৎ, আমরা যেভাবে চিন্তা করি তাকে সেভাবেই দেখতে চাই।

২৩. সম্পর্কে সবচেয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার উপায় হলো যথাযোগ্য মর্যাদা প্রদান।

২৪. সঙ্গী-সঙ্গিনীর কাছ থেকে আমরা যা চাই যা প্রকাশের সর্বোত্তম উপায় হলো, যা চাইছি তা উদাহরণ হিসাবে দেখিয়ে দেওয়া।

২৫. আমাদের অধিকাংশই নিজেদের অতিরিক্ত বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত করতে চান সঙ্গী-সঙ্গিনীকে।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top