ইন্টারভিউতে বাজিমাত করার দশটা সহজ উপায়

‘ইন্টারভিউ’ এই শব্দটার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একরাশ আশা-আশঙ্কার মেঘ-রোদ্দুর। কেউ হয়ত সবে ছাত্রজীবন শেষ করতে চলেছেন, সামনেই এবার অচেনা কর্মজীবনের হাইওয়ে। তাই ‘ফ্রেসার’ সুলভ প্রেসারের মধ্যে আছেন। আবার অনেকেই হয়ত ইতিমধ্যেই পোর খাওয়া হয়ে গিয়েছেন। কিন্তু তবুও ইন্টারভিউ বলে কথা, তাই জানার কোনোও শেষ নাই। ফেলে দু’পক্ষের জন্যই রইল কিছু হাতে গরম টিপস।

১) নিজের পরিচয় দেওয়ার সময় আপনার নামটা দু’বার বলুন। যেমন, জেমস, জেমস বন্ড। আসলে এই ভাবে বললে অনেক বেশী প্রত্যয়ী মনে হয়।

২) ইন্টারভিউ শেষ হলে যদি আপনার থেকে জানতে চাওয়া হয় যে আপনার কোনও প্রশ্ন আছে কিনা? তাহলে আবশ্যই ‘হ্যাঁ’ বলবেন এবং জানতে চাইবেন ওই নির্দিষ্ট চাকরির জন্য আপনার করা আবেদনের মধ্যে এমন কী কিছু আছে যা চাকরিদাতাদের ভাবিয়েছে? এই প্রশ্নটি আপনি করলেই এর উত্তরের মধ্যে দিয়ে আপনি বুঝে নিতে পারবেন যে আপনার ইন্টারভিউটা মোটের উপর কেমন হয়েছে? ইন্টারভিউয়াররা অনেকসময় এর উত্তরে আপনার কোন জায়গায় দুর্বলতা ছিল সেটাও উল্লেখ করে দেন।

৩) যদি না নির্দিষ্টভাবে চাওয়া হয়, তাহলে কখনই আপনার সিভি বা রেজিউমে ওয়ার্ড ডকুমেন্ট (.doc) হিসাবে পাঠাবেন না। সবসময় পিডিএফ ফর্ম্যাটে (.pdf) পাঠাবেন। কারণ, পিডিএফ ফর্ম্যাটে অনেক বেশী পরিচ্ছন্ন ও পেশাদার দেখতে লাগে এবং সহজে এডিটও করা যায় না।

৪) যে সংস্থায় ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছেন তার সম্পর্কে ভাল করে খোঁজখবর নিয়ে যান, প্রয়োজনে ইন্টারনেটের সাহায্য নিন।

৫) যদি জানতে পারেন যে কে আপনার ইন্টারভিউ নেবেন তাহলে তাঁর সম্পর্কেও ‘রিসার্চ’ করে যেতে পারলে ভাল হয়।

আরও পড়ুন, চাকরি ছাড়তে গেলেও এবার দিতে হবে ইন্টারভিউ

৬)  যে ধরণের চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দেবেন সেটা মাথায় রেখে ভদ্র ও রুচিশীল পোশাক পরে যাওয়াই বাঞ্ছনীয়।

৭) ইন্টারভিউ রুমে ঢোকার আগে অবশ্যই মোবাইল ফোনটা সাইলেন্ট নয় একদম সুইচড্ অফ্ করবেন। না হলে আপনার মনযোগ নষ্ট হতে পারে।

৮) ইন্টারভিউয়ের সময় সর্বদা চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। এতেও আপনাকে অনেক প্রত্যয়ী মনে হবে।

৯) হাঁটাচলা, কথাবলা এই সবকিছুর মধ্যেই একটা সতেজ ও জড়তাহীন ভাব থাকা আবশ্যিক।

১০) সবশেষে, আপনি যে পদের জন্য ইন্টারভিউটা দিচ্ছেন সেই সম্পর্কে কিছু জানার থাকলে অবশ্যই তা জানতে চাইবেন।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top