প্রবাসীদের পাঠানো টাকার উপর অতিরিক্ত বোনাস, যে নিয়মে পাবেন

দীর্ঘ বছর পরে সরকার প্রবাসী আয় ব্যাংকিং চ্যানেলে আনার জন্য আরেকটি বড়

বাংলাদেশের নীতিমালায় আর কী কী আছে, তা-ও জেনে নেওয়া যাক।
১। (ক) বিদেশ থেকে পাঠানো প্রবাসী বাংলাদেশিদের রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে রেমিট্যান্স আহরণকারী ব্যাংক প্রযোজ্য বিনিময় হারে টাকায় রূপান্তরিত অর্থ প্রচলিত বিধিবিধান পরিপালন করে উপকারভোগীর হিসাবে জমা বা উপকারভোগীকে দেওয়ার সময় অর্থের ওপর ২ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা প্রদান করবে;

(খ) বাংলাদেশের ব্যাংকের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় পরিচালিত বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউস বা ব্যাংকের মাধ্যমে আলোচ্য অর্থ প্রত্যাবসিত হতে হবে;
(গ) একজন প্রবাসীর রেমিট্যান্সের ওপর প্রতিবারে সর্বোচ্চ মার্কিন ডলার ১ হাজার ৫০০ বা সমমূল্যের অর্থের জন্য ২ শতাংশ হারে কোনো প্রকার কাগজপত্র ব্যতিরেকে প্রণোদনা সুবিধা প্রযোজ্য হবে;

(ঘ) ১ হাজার ৫০০ ডলারের বেশি লেনদেনের জন্য প্রাপককে রেমিট্যান্স প্রেরকের বৈধ কাগজপত্র (যেমন: পাসপোর্টের কপি এবং বিদেশি নিয়োগদাতা কর্তৃক প্রদত্ত নিয়োগপত্রের কপি বা বিএমইটি প্রদত্ত সনদপত্রের কপি, ব্যবসায় নিয়োজিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবসার লাইসেন্সের কপি ইত্যাদি) ব্যাংক শাখায় দাখিল করলে নগদ সহায়তা দেওয়া যাবে;

২। বিধিবহির্ভূতভাবে প্রণোদনার অর্থ দিলে প্রদত্ত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে রক্ষিত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের হিসাব বিকলন করে আদায় করা হবে। অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩। রেমিট্যান্স গ্রহণের দিন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করা সম্ভব না হলে পরের ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে তা উপস্থাপন করলে ব্যাংক প্রাপ্য নগদ সহায়তা দেবে।

কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top