রূপচর্চায় রাইস ওয়াটার ব্যবহার করবেন কেন?

টোনার হিসেবে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন রাইস ওয়াটার বা চালের পানি। বিভিন্ন প্রসাধন সামগ্রীতেও আজকাল এটি ব্যবহৃত হয়। চালের প্রায় সব গুণই পাওয়া যায় এতে। তবে রাইস ওয়াটার কিন্তু সাধারণ চাল ধোওয়া পানি নয়। নির্দিষ্ট উপায়ে এটি তৈরি করতে হয়।

যেভাবে বানাবেন রাইস ওয়াটার
ব্রাউন রাইস বা সাধারণ বাসমতী চাল বেশ খানিকটা পানি দিয়ে একবার ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। যত বেশিক্ষণ ভিজিয়ে রাখতে পারবেন, ততই ভালো। পারলে এক-দুইদিন রেখে দিন। এরপর চাল ছেঁকে সাদা তরলটি বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। সপ্তাহখানেক ভালো থাকবে। এছাড়া পানিসহ চাল ৫-৭ মিনিট ফুটিয়েও নিতে পারেন। তার বেশি ফোটাবেন না, সেক্ষেত্রে চালের বেশ কিছু গুণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই পানি ছেঁকে ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

  • রাইস ওয়াটার ক্লিনজার হিসেবে দারুণ কার্যকরী। এতে কটন প্যাড ডুবিয়ে পুরো মুখে একবার বুলিয়ে নিন। মুখের উপরিভাগে জমে থাকা ময়লা দূর হবে।
  • সমপরিমাণে গোলাপজল এবং রাইস ওয়াটার মিশিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। রোদ থেকে ফিরে পরিষ্কার মুখে এই মিশ্রণ স্প্রে করুন। ত্বক উজ্জ্বল হবে এবং ট্যানও পড়বে না।
  • সাধারণ পানির পরিবর্তে চুল ধুতে পারেন রাইস ওয়াটার দিয়ে। সরাসরিও ব্যবহার করতে পারেন, আবার সঙ্গে ভিনেগার বা লেবুর রসও মিশিয়ে নিতে পারেন। অল্প রাইস ওয়াটার ব্যবহার করতে চাইলে প্রথমে সাধারণ পানি দিয়ে চুল ধুয়ে শেষবার রাইস ওয়াটার ব্যবহার করুন। চুল মসৃণ, কালো এবং চকচকে থাকবে দীর্ঘদিন।
কমেন্টসমুহ
Secret Diary Secret Diary

Top